Dhaka ০১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বীরমুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও ‎দাফনে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন সুন্দরগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষ: নিহত ২, আহত ১ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাসাদের কাছে বিমান বিব্ধস্ত, পাইলটসহ সকল আরোহীর মৃত্যু সাঘাটায় জমি বিরোধে বিধবার ৪০টি গাছ নিধন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আটক ১ জেলার ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশেস সাথে সংঘর্ষ মার্কিন ডিভি লটারি চালুর নির্দেশ স্থগিত করলেন আপিল আদালত ব্রহ্মপুত্রের বুকে নৌকার পাটাতনে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু

ভুল আগাছানাশক প্রয়োগে কৃষকের জমির ধান নষ্ট, প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮৯ Time View

সৃুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কীটনাশক ব্যবসায়ীর ভুল পরামর্শে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ১৫ শতক জমির রোপা ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. কামরুজ্জামান।

​ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামের আব্দুর জব্বার সরকারের ছেলে। অভিযুক্ত কীটনাশক বিক্রেতা মো. মাহাবুর মিয়া একই ইউনিয়নের বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা।

​লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ধানক্ষেতে আগাছা দেখা দিলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ না পেয়ে বেলকা নবাবগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাহাবুর মিয়ার শরণাপন্ন হন কামরুজ্জামান। ব্যবসায়ী তাকে ‘এরাক্সন ২০০ এসএল’ নামের ১০০ মিলিলিটারের একটি আগাছানাশক দেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী গত ১৩ আগস্ট ওষুধটি জমিতে স্প্রে করার পরদিনই ধানের চারা মরতে শুরু করে এবং পুরো ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে যায়।

​কৃষক কামরুজ্জামান বলেন, “আমি ধানক্ষেতের আগাছা দমনের ওষুধ চেয়েছিলাম। বিক্রেতার কথামতো ওষুধ স্প্রে করার পরদিনই সব চারা মরে গেছে।”

​তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিক্রেতা মাহাবুর মিয়া দাবি করেন, “আমি ভুল ওষুধ দেইনি। তিনি অনাবাদি (ফাঁকা) জমির ঘাস মারার কথা বলে ওষুধ নিয়েছিলেন।”

​ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. এরশাদ মিয়া জানান, ওষুধ প্রয়োগের কারণে ধানক্ষেতটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

​এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “ওষুধের মান ও প্রয়োগ পদ্ধতি সঠিক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই ব্যবসায়ীর কীটনাশক বিক্রির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বীরমুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও ‎দাফনে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ভুল আগাছানাশক প্রয়োগে কৃষকের জমির ধান নষ্ট, প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ

Update Time : ১০:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

সৃুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কীটনাশক ব্যবসায়ীর ভুল পরামর্শে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ১৫ শতক জমির রোপা ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. কামরুজ্জামান।

​ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামের আব্দুর জব্বার সরকারের ছেলে। অভিযুক্ত কীটনাশক বিক্রেতা মো. মাহাবুর মিয়া একই ইউনিয়নের বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা।

​লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ধানক্ষেতে আগাছা দেখা দিলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ না পেয়ে বেলকা নবাবগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাহাবুর মিয়ার শরণাপন্ন হন কামরুজ্জামান। ব্যবসায়ী তাকে ‘এরাক্সন ২০০ এসএল’ নামের ১০০ মিলিলিটারের একটি আগাছানাশক দেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী গত ১৩ আগস্ট ওষুধটি জমিতে স্প্রে করার পরদিনই ধানের চারা মরতে শুরু করে এবং পুরো ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে যায়।

​কৃষক কামরুজ্জামান বলেন, “আমি ধানক্ষেতের আগাছা দমনের ওষুধ চেয়েছিলাম। বিক্রেতার কথামতো ওষুধ স্প্রে করার পরদিনই সব চারা মরে গেছে।”

​তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিক্রেতা মাহাবুর মিয়া দাবি করেন, “আমি ভুল ওষুধ দেইনি। তিনি অনাবাদি (ফাঁকা) জমির ঘাস মারার কথা বলে ওষুধ নিয়েছিলেন।”

​ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. এরশাদ মিয়া জানান, ওষুধ প্রয়োগের কারণে ধানক্ষেতটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

​এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “ওষুধের মান ও প্রয়োগ পদ্ধতি সঠিক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই ব্যবসায়ীর কীটনাশক বিক্রির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”