
স্টাফ রিপোর্টার: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সারিয়াকান্দি, বালাসী ঘাট, ফুলছড়ি ঘাট এবং রাজীবপুরে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি উঠেছে। সরকার যদি চারটি সেতু করে দিতে পারত তাহলে খুব ভালো হতো। আওয়ামী শাসনামলের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে তারা আমাদের উপর যে ঋণের বোঝা এবং সংকট চাপিয়ে দিয়েছে তাতে করে সেতু নির্মাণের জন্য এখন উদ্যোক্তা (বিনিয়োগকারী) দরকার। আপনাদের সন্ধানে থাকলে আমাদের জানান, আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। যারা উদ্যোক্তা (বিনিয়োগকারী) হবেন তারা টোল আদায়ের মাধ্যমে আগামী ২০ বছরে চুক্তি অনুযায়ী বিনিয়োগের টাকা ও লাভ উত্তোলন করবেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী উদ্যোক্তার (বিনিয়োগকারী) সন্ধান চাইলেও, দ্বিতীয় যমুনা সেতু কোথায় নির্মাণ হবে তা স্পষ্ট করেনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন ইউনূস সরকার ঋণের তথ্য দিয়েছিল ১৭% কিন্তু প্রকৃত তথ্য পাওয়া গেল ঋণ রয়েছে ৩৭%। এত বড় ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে সরকার মাত্র সাত মাসে বিশাল অংকের ঋণ পরিশোধ করেছে, ফলে ৩৭ থেকে ঋণের পরিমাণ ৩১/৩২ শতাংশে নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
‘তিনি বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি খাতে সংকট রয়েছে। তবে এ থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে সরকারি-আধাসরকারি অফিসসহ জনগণের জন্য সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো যাবে। জনগণ তাদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সাড়ে ১০টাকা দরে সরকারের কাছে বিক্রি করতে পারবে।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শেষে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন প্রতিমন্ত্রী। এরপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃংখলা কমিটির সভায় অংশ নেন তিনি।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হোসেন সাদিক ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুননবী টিটুলসহ বিএনপির জেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Reporter Name 








