
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জেলা জামায়াত।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে জেলা আমীর আব্দুল করিম ও সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, ঘটনাটি ছিল একটি ব্যক্তিগত পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে, যার সাথে সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাটিকে জামায়াতের ওপর চাপিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা বলেন, ব্যক্তিগত ঘটনার দায় সংগঠনের ওপর চাপানো অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট না থাকা সত্ত্বেও উপজেলা জামায়াতের পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারী মিজানুর রহমান মিজানকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অনেক নির্দোষ ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি এবং পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবি জানান।
একই দিনে (২৮ মার্চ) পৃথকভাবে বিবৃতি দিয়েছে পলাশবাড়ী উপেজলা জামায়াত।
উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ও উপজেলা সেক্রেটারী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, মিজানুর রহমান এজাহারভুক্ত আসামী না হওয়া সত্বেও কিছু গণমাধ্যমে তাকে এজাহারভুক্ত আসামী হিসেবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এমন বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং মিজানুর রহমানের মুক্তি দাবী করা হয়েছে।

মো. ফেরদাউছ মিয়া 







