Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুন্দরগঞ্জে চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক সুন্দরগঞ্জে ৪ মিনিটে ৩ ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক তরুণ ও প্রবীণ ওলামায়ে কেরামের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল ৩২ বছরের পুরোনো এক্স-রে মেশিনে চলছে চিকিৎসা, রোগীদের চরম ভোগান্তি এ কেমন অমানুষের দেশ!’: শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে কাঠগড়ায় সমাজ ও রাষ্ট্র! উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যই এই লংমার্চ: পলাশবাড়ীতে ডা. শফিকুর রহমান  ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সওজ প্রকৌশলী নিহত গোবিন্দগঞ্জে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবন উদ্বোধন করলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের জীবনমান উন্নয়নে ফ্রেন্ডশিপের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

কুলাউড়ায় স্কুল ফিডিংয়ে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন বিহীন রুটি ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ১২০ Time View

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে দুর্নীতি ও নিম্নমানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে বিএসটিআই অনুমোদন বিহীন বনরুটি, কালো খোসাযুক্ত কলা এবং নিম্নমানের ডিম বিতরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘুরে দেখা যায়, বিতরণ করা বনরুটির মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনেক রুটির খোসা কালচে ও দেখতে অস্বাভাবিক মানের। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দেওয়া কলার খোসা কালো ও নিম্নমানের বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া কিছু বিদ্যালয়ে বিতরণ করা ডিম নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে হোছেনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর জাহান বেগম, প্রতাবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল ইসলাম খান, পাঁচপীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল উদ্দিন এবং রাঙ্গিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশীল চন্দ্র দাসের সঙ্গে কথা হলে তারা খাদ্যের মান নিয়ে উদ্বেগ ও অসন্তোষ এর কথা প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, “শিশুদের জন্য যে খাবার দেওয়া হচ্ছে, তার মান নিয়ে শুরু থেকেই আমাদের আপত্তি রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী খাবার দেখে খেতেও অনীহা প্রকাশ করেছে।”

এ বিষয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শিবনাথ ভট্টাচার্য বলেন,“নিম্নমানের বা অপরিচ্ছন্ন খাবার শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সংরক্ষণে ত্রুটিপূর্ণ ডিম, নিম্নমানের বেকারি পণ্য বা অতিপাকা ও নষ্ট হওয়ার উপক্রম ফল খেলে শিশুদের খাদ্যে বিষক্রিয়ায়,ডায়রিয়া, পেটের সমস্যা ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি শিশুদের পুষ্টি স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, সরবরাহকৃত বনরুটির বিএসটিআই অনুমোদন রয়েছে। যদিও পণ্যের মোড়কে তার দৃশ্যমান কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগের বিষয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সুন্দরগঞ্জে চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

কুলাউড়ায় স্কুল ফিডিংয়ে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন বিহীন রুটি ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ

Update Time : ১১:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে দুর্নীতি ও নিম্নমানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে বিএসটিআই অনুমোদন বিহীন বনরুটি, কালো খোসাযুক্ত কলা এবং নিম্নমানের ডিম বিতরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘুরে দেখা যায়, বিতরণ করা বনরুটির মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনেক রুটির খোসা কালচে ও দেখতে অস্বাভাবিক মানের। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দেওয়া কলার খোসা কালো ও নিম্নমানের বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া কিছু বিদ্যালয়ে বিতরণ করা ডিম নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে হোছেনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর জাহান বেগম, প্রতাবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল ইসলাম খান, পাঁচপীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল উদ্দিন এবং রাঙ্গিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশীল চন্দ্র দাসের সঙ্গে কথা হলে তারা খাদ্যের মান নিয়ে উদ্বেগ ও অসন্তোষ এর কথা প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, “শিশুদের জন্য যে খাবার দেওয়া হচ্ছে, তার মান নিয়ে শুরু থেকেই আমাদের আপত্তি রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী খাবার দেখে খেতেও অনীহা প্রকাশ করেছে।”

এ বিষয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শিবনাথ ভট্টাচার্য বলেন,“নিম্নমানের বা অপরিচ্ছন্ন খাবার শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সংরক্ষণে ত্রুটিপূর্ণ ডিম, নিম্নমানের বেকারি পণ্য বা অতিপাকা ও নষ্ট হওয়ার উপক্রম ফল খেলে শিশুদের খাদ্যে বিষক্রিয়ায়,ডায়রিয়া, পেটের সমস্যা ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি শিশুদের পুষ্টি স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, সরবরাহকৃত বনরুটির বিএসটিআই অনুমোদন রয়েছে। যদিও পণ্যের মোড়কে তার দৃশ্যমান কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগের বিষয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।