
ডেস্ক রিপোর্ট: ‘আমার পরিবার জানে না আমি কোথায় আছি, আমি বেঁচে আছি নাকি মারা গেছি। এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে অন্তত তারা জানতে পারবে, আমি এখনো বেঁচে আছি।’
শুক্রবার (৩১ জুলাই) একটি গণমাধ্যমে ইউক্রেনের যুদ্ধবন্দি শিবির থেকে গাইবান্ধার রিমেলের এমন কণ্ঠ ভেসে আসে।
১১ মাস কোনো খোঁজ না পাওয়ার পর হঠাৎ রিমেল মিয়ার কণ্ঠ শুনতে পায় তার পরিবার।
রিমেলের বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের উত্তর মরুয়াদহ গ্রামে। রিমেল বর্তমানে ইউক্রেনের একটি ডিটেনশন সেন্টারে যুদ্ধবন্দি হিসেবে রয়েছেন।
২০২৫ সালের মার্চে রাশিয়ায় যান রিমেল। সেখানে নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর রুশ সেনাবাহিনীর একটি চুক্তিতে সই করেন তিনি। রুশ ভাষার সেই চুক্তির বিষয় তিনি বুঝতে পারেননি। উচ্চ বেতন ও নাগরিকত্বের প্রলোভন দেখিয়ে মাত্র তিন দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।
গত ৮ ডিসেম্বর ইউক্রেনীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের পর থেকে তিনি যুদ্ধবন্দি হিসেবে আছেন।
রিমেলের মা রেখা বেগম বলেন, ‘মনে হতো হয়তো আর কোনো দিন আমার ছেলেকে দেখতে পাব না। এখন জানতে পেরেছি সে বেঁচে আছে। আমি শুধু আমার ছেলেকে একবার বুকে জড়িয়ে ধরতে চাই।’

Reporter Name 








