Dhaka ০৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঘোড়াঘাটে ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল বিক্রি: ম্যানেজারের ২০ হাজার টাকা জরিমানা  হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে কী করবেন? ডিজেলভর্তি ড্রামে ডুবে প্রাণ হারাল আড়াই বছরের শিশু অনিশ্চয়তার মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প ঘোড়াঘাটে বাড়িতে ঢুকে বৃদ্ধাকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর চার খুন: থানায় হত্যা মামলা দায়ের ভাওয়াইয়া একাডেমির গাইবান্ধা জেলা কমিটি গঠন: রাজু সভাপতি, জিয়া সাধারণ সম্পাদক  অ্যাডমিট কার্ড না পেয়ে এসএসসিতে বসতে পারল না শিক্ষার্থী, ইউএনও কার্যালয়ে মায়ের আহাজারি পলাশবাড়ীতে ধর্ষককে গ্রেফতারের দাবিতে শিশু শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন গাইবান্ধায় ১ম দিনের এসএসসি পরীক্ষা সুুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন

ঘোড়াঘাটে বাড়িতে ঢুকে বৃদ্ধাকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫ Time View
ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) সংবাদদাতা: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের সময় ওয়ালেদা খাতুন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার পূর্ব পালশা গ্রামে বৃদ্ধার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওয়ালেদা খাতুন উপজেলার পালশা ইউনিয়নের মৃত হবিবুর রহমানের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, ছোট মেয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন ওয়ালেদা খাতুন। তার পাঁচ ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলেরা সবাই আলাদা বাড়িতে বসবাস করেন এবং বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। ছোট মেয়ে রহিমা বেগম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বিদেশে যান এবং  ৬ বছর প্রবাসে থাকার পর ছয় মাস আগে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
মঙ্গলবার বিকালের দিকে কোনো এক সময় একটি দুর্বৃত্তচক্র ঘরে ঢুকে এবং কসটেপ দিয়ে বৃদ্ধা ওয়ালেদা খাতুনের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যা করে ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়ে।
ঘটনার সময় ছোট মেয়ে রহিমা বেগম বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ডুগডুগি বাজারে তার কাপড়ের দোকানে ছিলেন। বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তিনি তার মা’র শরীর কাপড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন।পরে কাপড় সরিয়ে দেখেন, মুখে টেপ লাগানো, গলায় গামছা পেঁচানো এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। এসময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে বাড়ির ভিতর একটি কক্ষে থাকা আলমারির জিনিসপত্র ও কাপড়চোপড় এলোমেলোভাবে মেঝেতে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের ছোট মেয়ে রহিমার দাবি, তার মায়ের হত্যাকারীরা ঘর থেকে প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দুই লাখ টাকা লুট করেছে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে বাদি হয়ে এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঘোড়াঘাটে ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল বিক্রি: ম্যানেজারের ২০ হাজার টাকা জরিমানা 

ঘোড়াঘাটে বাড়িতে ঢুকে বৃদ্ধাকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

Update Time : ১১:৩৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) সংবাদদাতা: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের সময় ওয়ালেদা খাতুন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার পূর্ব পালশা গ্রামে বৃদ্ধার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওয়ালেদা খাতুন উপজেলার পালশা ইউনিয়নের মৃত হবিবুর রহমানের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, ছোট মেয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন ওয়ালেদা খাতুন। তার পাঁচ ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলেরা সবাই আলাদা বাড়িতে বসবাস করেন এবং বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। ছোট মেয়ে রহিমা বেগম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বিদেশে যান এবং  ৬ বছর প্রবাসে থাকার পর ছয় মাস আগে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
মঙ্গলবার বিকালের দিকে কোনো এক সময় একটি দুর্বৃত্তচক্র ঘরে ঢুকে এবং কসটেপ দিয়ে বৃদ্ধা ওয়ালেদা খাতুনের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যা করে ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়ে।
ঘটনার সময় ছোট মেয়ে রহিমা বেগম বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ডুগডুগি বাজারে তার কাপড়ের দোকানে ছিলেন। বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তিনি তার মা’র শরীর কাপড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন।পরে কাপড় সরিয়ে দেখেন, মুখে টেপ লাগানো, গলায় গামছা পেঁচানো এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। এসময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে বাড়ির ভিতর একটি কক্ষে থাকা আলমারির জিনিসপত্র ও কাপড়চোপড় এলোমেলোভাবে মেঝেতে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের ছোট মেয়ে রহিমার দাবি, তার মায়ের হত্যাকারীরা ঘর থেকে প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দুই লাখ টাকা লুট করেছে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে বাদি হয়ে এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।