Dhaka ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

গরম কেন লাগে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাধারণত প্রায় ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকে।

তবে এটি সবসময় এক থাকে না; দিনের বিভিন্ন সময়ে সামান্য পরিবর্তন হয়ে ৯৭ থেকে ৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। জ্বর হলে এই তাপমাত্রা বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্তও যেতে পারে।

মানবদেহের ভেতরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়া চলতে থাকে, যার ফলে সবসময়ই তাপ উৎপন্ন হয়। তাই শরীরকে এক ধরনের “নিয়মিত তাপ উৎপাদনকারী ব্যবস্থা” বলা যেতে পারে। এই কারণে দেহের তাপমাত্রা স্থির না থেকে সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়।

পরিবেশের তাপমাত্রাও শরীরের অনুভূতিকে প্রভাবিত করে। সাধারণত প্রায় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রা শরীরের জন্য আরামদায়ক ধরা হয়। কিন্তু এর চেয়ে বেশি বা কম হলে শরীর গরম বা ঠান্ডা অনুভব করতে পারে। যখন শরীরের তাপ পরিবেশের তুলনায় বেশি হয়, তখন ঠান্ডা লাগে; আর শরীরের তাপ কম হলে গরম অনুভূত হয়।

জ্বরের সময় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডা লাগার অনুভূতি হয়, আবার জ্বর কমলে ঘামের মাধ্যমে অতিরিক্ত তাপ বের হয়ে যায়, ফলে শরীর ঘেমে ওঠে।

এছাড়া শারীরিক পরিশ্রমের সময় শরীরের কোষগুলোর কাজ বেড়ে যায়, ফলে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়। এই তাপ ঘামের মাধ্যমে বের করে দিয়ে শরীর নিজেকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখে—এটাই শরীরের একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রুশ হামলায় বহু প্রাণহানির শঙ্কা

গরম কেন লাগে

Update Time : ০২:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাধারণত প্রায় ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকে।

তবে এটি সবসময় এক থাকে না; দিনের বিভিন্ন সময়ে সামান্য পরিবর্তন হয়ে ৯৭ থেকে ৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। জ্বর হলে এই তাপমাত্রা বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্তও যেতে পারে।

মানবদেহের ভেতরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়া চলতে থাকে, যার ফলে সবসময়ই তাপ উৎপন্ন হয়। তাই শরীরকে এক ধরনের “নিয়মিত তাপ উৎপাদনকারী ব্যবস্থা” বলা যেতে পারে। এই কারণে দেহের তাপমাত্রা স্থির না থেকে সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়।

পরিবেশের তাপমাত্রাও শরীরের অনুভূতিকে প্রভাবিত করে। সাধারণত প্রায় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রা শরীরের জন্য আরামদায়ক ধরা হয়। কিন্তু এর চেয়ে বেশি বা কম হলে শরীর গরম বা ঠান্ডা অনুভব করতে পারে। যখন শরীরের তাপ পরিবেশের তুলনায় বেশি হয়, তখন ঠান্ডা লাগে; আর শরীরের তাপ কম হলে গরম অনুভূত হয়।

জ্বরের সময় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডা লাগার অনুভূতি হয়, আবার জ্বর কমলে ঘামের মাধ্যমে অতিরিক্ত তাপ বের হয়ে যায়, ফলে শরীর ঘেমে ওঠে।

এছাড়া শারীরিক পরিশ্রমের সময় শরীরের কোষগুলোর কাজ বেড়ে যায়, ফলে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়। এই তাপ ঘামের মাধ্যমে বের করে দিয়ে শরীর নিজেকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখে—এটাই শরীরের একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।