
নিজস্ব প্রতিবেদক: একদিন জনি মিয়ার সব ছিল, এখন আর কিছু নেই। জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে রিকশা চালাতে হচ্ছে। বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসীর চিকিৎসার জন্য জমানো টাকা থেকে শুরু করে আবাদি জমি বিক্রির টাকাও শেষ করেছেন। এমনকি মাথা গোঁজার ৪ শতক বাড়িভিটেটুকু বিক্রি করে চিকিৎসা করিয়েছেন। কিন্তু কোনো উন্নতি হয়নি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন স্পাইনা বাইফিডা নিউরোজেনিক রোগে আক্রান্ত জান্নাতুল ফেরদৌসীর চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয়, বিদেশে চিকিৎসা করাতে এক থেকে দেড় কোটি টাকা ব্যয় হবে।
জান্নাতুল ফেরদৌসীর বয়স এখন ১৭ বছর, কিন্তু দেখতে ৫/৬ বছরের শিশুর মতো। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে জন্মের পর থেকে জান্নাতুল ফেরদৌসী সারাক্ষণ পায়খানা ও প্রসাব করে। এতে তার কোমরের নিচের অংশে পচন ধরেছে। এছাড়াও তার বামপাশের কিডনিও ড্যামেজ হয়ে গেছে। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের গুণভরি গ্রামে জনি মিয়ার বাড়ি। তার আরও দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। দুই মেয়ে মাদরাসায় পড়ে আর ছেলের বয়স তিন বছর।
মেয়ের চিকিৎসায় সব হারানো জনি মিয়া (৪২) এখন গাইবান্ধা শহরতলিতে স্ব-পরিবারে ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি নিজেও অসুস্থ, ভারি কাজ করতে পারেন না। রিকশা চালিয়ে মেয়ের চিকিৎসা ও পরিবারকে বাঁচানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এমতাবস্থায় তিনি সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্য পাঠানোর আবেদন জানিয়েছেন। জনি মিয়াকে সাহায্য পাঠানোর বিকাশ ও নগদ নম্বর: ০১৭১৪৮৪৪৪০৭।

Reporter Name 

















