
প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এখন আলোচনায় উঠে এসেছে, নতুন সরকারের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোথায় সরকারি বাসভবনে থাকবেন।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন ঘটে। সে সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ আন্দোলনকারীদের ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে এটিকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হলে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
এ পরিস্থিতিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেলে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনা-কে অস্থায়ীভাবে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, যমুনা ইতোমধ্যেই নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত দিক থেকে প্রস্তুত রয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান ও আধুনিক নিরাপত্তা বিবেচনায় স্থায়ী নতুন সরকারি বাসভবন নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনাও রয়েছে।
এদিকে যমুনার পাশের ২৯ নম্বর ভবন বিরোধীদলীয় নেতার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা নব্বইয়ের দশকে একই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন তারেক রহমান। বর্তমানে তিনি গুলশানের একটি ভাড়া বাসায় থাকছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সেখানে থাকবেন নাকি নতুন সরকারি বাসভবনে উঠবেন—এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

Reporter Name 







