Dhaka ০১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
যথাযোগ্য মর্যাদায় নওগাঁয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন মৃত্যুর ৭৫ দিন পর কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, বিক্ষোভে অবরুদ্ধ সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কাঁচ দিয়ে আঘাত, থানায় মামলা চিলমারীর এক ইউনিয়নেই প্রায় কোটি টাকা লোপাট: ইউএনও’র কাছে এলাকাবাসীর অভিযোগ কারখানার রাস্তা বন্ধ করে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থার নিন্দা সুন্দরগঞ্জে ক্লাস ফেলে সমাবেশ-মানববন্ধন, দিনভর প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ গাইবান্ধায় আরসিসি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন সাপের দংশনে সাপুড়ের মৃত্যু

শায়লা ইসলামকে নারী এমপি ‎হিসেবে চান গাইবান্ধার মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:১৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৫ Time View

‎প্রতিনিধি গাইবান্ধা
ছাত্রজীবন থেকেই খন্দকার আহাদ আহমেদ গাইবান্ধার মানুষ ও এলাকার উন্নয়নে আত্মোৎসর্গ করেছিলেন। কিন্তু করোনাকালে তাঁর জীবন প্রদীপ নিভে যায়। স্বামী খন্দকার আহাদ আহমেদের সব কাজের সহযাত্রী ও অনুপ্রেরণা ছিলেন সহধর্মিণী শায়লা ইসলাম। খন্দকার আহাদ আহমেদ ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি ছিলেন রাজপথে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের সাহসী যোদ্ধা।
‎গাইবান্ধার মানুষ জেলা বিএনপির প্রয়াত সহ-সভাপতি খন্দকার আহাদ আহমেদের সহধর্মিণী শায়লা ইসলামকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে দেখতে চান। তারা বলেন, শায়লা ইসলাম রাজনৈতিক পরিবারের পুত্রবধূ। তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত নারী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিষয়ে অনার্সসহ এমসি পাশ করেন। শায়লা ইসলাম এমপি নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত গাইবান্ধার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে জনগণ মনে করছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে শায়লা ইসলামের নাম উঠে আসায় গাইবান্ধায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, গাইবান্ধার ৫টি আসনের মধ্যে ৪টি বিএনপির হাতছাড়া হয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা বিএনপির মনোনয়নে গাইবান্ধায় শায়লা ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হলে অবহেলিত, পিছিয়ে পড়া গাইবান্ধা শুধু নয়, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাটও উন্নয়নের ছোঁয়া পাবে।
খন্দকার আহাদ আহমেদের স্ত্রী শায়লা ইসলাম বিএনপির রাজনীতিতে সুপরিচিত। তিনি গাইবান্ধার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় আনুকূল্য অন্যদের চেয়ে সহজে আনতে পারবেন।
এ বিষয়ে শায়লা ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি শুধু খন্দকার আহাদ আহমেদের সহধর্মিণী নই, আমি বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী। দলের সংকটময় সময়ে পারিবারিকভাবে যে ত্যাগ স্বীকার করেছি তা রাজনৈতিক সংগ্রামেরই অংশ। তিনি বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে আমার সরাসরি যোগাযোগ ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসন একটি দায়িত্বপূর্ণ জায়গা। আমি রাজনৈতিক সচেতনতা ও ব্যক্তিগত সক্ষমতার দিক থেকে নিজেকে প্রস্তুত মনে করি। তবে এক্ষেত্রে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তা আমি মেনে নেবো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

যথাযোগ্য মর্যাদায় নওগাঁয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন

শায়লা ইসলামকে নারী এমপি ‎হিসেবে চান গাইবান্ধার মানুষ

Update Time : ০২:১৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎প্রতিনিধি গাইবান্ধা
ছাত্রজীবন থেকেই খন্দকার আহাদ আহমেদ গাইবান্ধার মানুষ ও এলাকার উন্নয়নে আত্মোৎসর্গ করেছিলেন। কিন্তু করোনাকালে তাঁর জীবন প্রদীপ নিভে যায়। স্বামী খন্দকার আহাদ আহমেদের সব কাজের সহযাত্রী ও অনুপ্রেরণা ছিলেন সহধর্মিণী শায়লা ইসলাম। খন্দকার আহাদ আহমেদ ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি ছিলেন রাজপথে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের সাহসী যোদ্ধা।
‎গাইবান্ধার মানুষ জেলা বিএনপির প্রয়াত সহ-সভাপতি খন্দকার আহাদ আহমেদের সহধর্মিণী শায়লা ইসলামকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে দেখতে চান। তারা বলেন, শায়লা ইসলাম রাজনৈতিক পরিবারের পুত্রবধূ। তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত নারী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিষয়ে অনার্সসহ এমসি পাশ করেন। শায়লা ইসলাম এমপি নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত গাইবান্ধার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে জনগণ মনে করছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে শায়লা ইসলামের নাম উঠে আসায় গাইবান্ধায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, গাইবান্ধার ৫টি আসনের মধ্যে ৪টি বিএনপির হাতছাড়া হয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা বিএনপির মনোনয়নে গাইবান্ধায় শায়লা ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হলে অবহেলিত, পিছিয়ে পড়া গাইবান্ধা শুধু নয়, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাটও উন্নয়নের ছোঁয়া পাবে।
খন্দকার আহাদ আহমেদের স্ত্রী শায়লা ইসলাম বিএনপির রাজনীতিতে সুপরিচিত। তিনি গাইবান্ধার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় আনুকূল্য অন্যদের চেয়ে সহজে আনতে পারবেন।
এ বিষয়ে শায়লা ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি শুধু খন্দকার আহাদ আহমেদের সহধর্মিণী নই, আমি বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী। দলের সংকটময় সময়ে পারিবারিকভাবে যে ত্যাগ স্বীকার করেছি তা রাজনৈতিক সংগ্রামেরই অংশ। তিনি বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে আমার সরাসরি যোগাযোগ ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসন একটি দায়িত্বপূর্ণ জায়গা। আমি রাজনৈতিক সচেতনতা ও ব্যক্তিগত সক্ষমতার দিক থেকে নিজেকে প্রস্তুত মনে করি। তবে এক্ষেত্রে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তা আমি মেনে নেবো।