Dhaka ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো আড়াই বছর ধরে আটকে গাইবান্ধার ৯ সেতুর কাজ, ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কায় দুর্ভোগে মানুষ ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে ফিলিস্তিনিরা গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিরাপদ নওগাঁ গঠনে শিক্ষার্থীদের সাথে র‍্যাবের মতবিনিময় সভা অভিভাবকের উদাসীনতাই তরুণ প্রজন্মের অবক্ষয়ের জন্য দায়ী? এবার সয়াবিন তেলে মিলল বিপুল পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক

সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: ২ বালু দস্যু গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১৬ Time View

সাঘাটা প্রতিনিধি:
​গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরোধে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার মুন্সীরহাট ও হলদিয়া ইউনিয়নের নলছিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
​সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলমের সরাসরি নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-উপজেলার কচুয়াহাট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে সবুজ মিয়া (৪২) এবং উত্তর সাথালিয়া গ্রামের জহির উদ্দিন সরকারের ছেলে জুয়েল আমিন (৩৭)।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি মাহবুব আলম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স মুন্সীরহাট ও নলছিয়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। এসময় বালু উত্তোলনকালে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সবুজ মিয়া একজন চিহ্নিত ও পেশাদার ‘বালু দস্যু’ হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য যে: ​গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের এক অভিযানে তিনি আটক হয়েছিলেন। ​সে সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাঘাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিলেন।
​জরিমানা এবং আইনি ব্যবস্থার পরেও তিনি পুনরায় নদী দখল ও বালু লুটপাটে লিপ্ত হন।

​গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলম বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলনরোধে আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ ও নদীর ক্ষতি করে বালু লুটতরাজের সাথে জড়িত কাউকেই কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: ২ বালু দস্যু গ্রেপ্তার

Update Time : ০৪:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

সাঘাটা প্রতিনিধি:
​গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরোধে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার মুন্সীরহাট ও হলদিয়া ইউনিয়নের নলছিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
​সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলমের সরাসরি নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-উপজেলার কচুয়াহাট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে সবুজ মিয়া (৪২) এবং উত্তর সাথালিয়া গ্রামের জহির উদ্দিন সরকারের ছেলে জুয়েল আমিন (৩৭)।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি মাহবুব আলম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স মুন্সীরহাট ও নলছিয়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। এসময় বালু উত্তোলনকালে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সবুজ মিয়া একজন চিহ্নিত ও পেশাদার ‘বালু দস্যু’ হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য যে: ​গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের এক অভিযানে তিনি আটক হয়েছিলেন। ​সে সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাঘাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিলেন।
​জরিমানা এবং আইনি ব্যবস্থার পরেও তিনি পুনরায় নদী দখল ও বালু লুটপাটে লিপ্ত হন।

​গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলম বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলনরোধে আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ ও নদীর ক্ষতি করে বালু লুটতরাজের সাথে জড়িত কাউকেই কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।”