Dhaka ০৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
অসহায় নারীর জমিসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ, থানায় মেলেনি প্রতিকার গাইবান্ধায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকের পুরস্কার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে যুবকের মৃত্যু, অসুস্থ ২ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ পত্নীতলায় ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু শ্বশুরবাড়িতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাইয়ের মৃত্যু  চিলমারীতে হঠাৎ দমকা হাওয়ায় ডুবে গেছে ৭টি নৌকা সুন্দরগঞ্জে বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন নওগাঁয় বাসের বক্সের ঢাকনার আঘাতে অটোরিকশার ১ যাত্রী নিহত, আহত ২ শিশু   সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বকাপে জিতবে কোন দল?

সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবী, হুমকী অত্যাচার মুক্তা ও মিলনের শাস্তি দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • ১৮৩ Time View

oplus_0

প্রতিনিধি গাইবান্ধা:

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে সাংবাদিক পরিচয়ে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাঁদাবাজি এবং অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবার শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ডিবি রোডে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাচাতো ভাই জুয়েল মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ খোলাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলন পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাংবাদিক পরিচয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের কাছে চাঁদাবাজি করছেন। তাদের এই চাঁদাবাজি এখনও  অব্যাহত রয়েছে। তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। চাঁদা দিতে না চাইলে তারা বিভিন্ন কৌশলে ও মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেন। মুক্তার মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি মুক্তার বিরুদ্ধে তার বাবা-মাও মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি মুক্তা মিয়ার জেঠাত ভাই ঢাকায় বায়িং হাউজে কর্মরত জুয়েল মিয়াকে গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে অপপ্রচার চালায় মুক্তা মিয়া। তিনি

oplus_0

ফেসবুকের ওই পোস্টটি জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস ও পুলিশ সুপারকে ট্যাগ করেন। এ নিয়ে ডিএসবি তদন্তও করেন। কিন্তু জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো মাদক দ্রব্য বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এভাবেই মুক্তা মিয়া ও তার সহোদর ভাই মিজানুর রহমান মিলন এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানী ও অত্যাচার করে আসছে। তাদের দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া, তার বৃদ্ধ পিতা মো. আজিজুল হক ও মা রাবেয়া বেগম, এলাকাবাসীর পক্ষে রেজা মিয়া প্রমুখ। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া ও তার পরিবার এবং এলাকাবাসি উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অসহায় নারীর জমিসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ, থানায় মেলেনি প্রতিকার

সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবী, হুমকী অত্যাচার মুক্তা ও মিলনের শাস্তি দাবি

Update Time : ০২:৪১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

প্রতিনিধি গাইবান্ধা:

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে সাংবাদিক পরিচয়ে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাঁদাবাজি এবং অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবার শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ডিবি রোডে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাচাতো ভাই জুয়েল মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ খোলাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলন পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাংবাদিক পরিচয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের কাছে চাঁদাবাজি করছেন। তাদের এই চাঁদাবাজি এখনও  অব্যাহত রয়েছে। তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। চাঁদা দিতে না চাইলে তারা বিভিন্ন কৌশলে ও মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেন। মুক্তার মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি মুক্তার বিরুদ্ধে তার বাবা-মাও মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি মুক্তা মিয়ার জেঠাত ভাই ঢাকায় বায়িং হাউজে কর্মরত জুয়েল মিয়াকে গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে অপপ্রচার চালায় মুক্তা মিয়া। তিনি

oplus_0

ফেসবুকের ওই পোস্টটি জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস ও পুলিশ সুপারকে ট্যাগ করেন। এ নিয়ে ডিএসবি তদন্তও করেন। কিন্তু জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো মাদক দ্রব্য বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এভাবেই মুক্তা মিয়া ও তার সহোদর ভাই মিজানুর রহমান মিলন এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানী ও অত্যাচার করে আসছে। তাদের দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া, তার বৃদ্ধ পিতা মো. আজিজুল হক ও মা রাবেয়া বেগম, এলাকাবাসীর পক্ষে রেজা মিয়া প্রমুখ। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া ও তার পরিবার এবং এলাকাবাসি উপস্থিত ছিলেন।