
সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক। এ নিয়ে রবিবার তিনি তার ফেসবুক আইডিতে ভোটারদের উদ্দেশ্যে কৃতজ্ঞতা বার্তা পোস্ট দিয়েছেন।
বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন- ‘সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়েও আমি নির্বাচিত হতে পারিনি। এলাকার জনগণ যারা আমাকে ভোট প্রদান করেছেন, দলের যে সমস্ত নেতা কর্মী, সাধারণ মানুষ, আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব, সহপাঠী, চিকিৎসক সমাজ যারা নিঃস্বার্থ ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন তাদের প্রতি আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জনগণের রায়ের প্রতি দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের শিক্ষা থেকে পূর্ণ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।’
এদিকে ওই বার্তাটি পোস্ট দেওয়ার সাথে সাথেই ভাইরাল হয়ে যায়। সেই বার্তায় বিভিন্ন কমেন্টের ঝড় ওঠে। এতে অনেকে দুঃখ প্রকাশ করে তাকে সান্তনাও দেন। মোজাম্মেল আহসান নামের এক ব্যক্তি কমেন্টে লেখেন- ‘আপনি হারেন নাই। হেরেছে সাদুল্লাপুরের মানুষ। এই ভুলের মাসুল ভোগ করবে সাদুল্লাপুরের আপামর জণগণ।’
মোখলেছুর রহমান নামের আরেক ব্যক্তি কমেন্টে লিখেছেন- ‘আপনার প্রতি আমাদের অনেক প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু আমরা অভাগা তাই প্রত্যাশা পূরণে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে জয়ের জন্য সবটুকু দিতে ব্যর্থ হয়েছি। এ পরাজয় আপনার নয়, এ পরাজয় সাদুল্লাপুর উপজেলার সবার। আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।’
অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক বলেন, ‘আমি আমার সমস্ত নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সাথে আমার এলাকার অবহেলিত জনগণ ও অনুন্নত এলাকার জন্য কাজ করতে চেয়েছিলাম। সেই অতৃপ্তিটুকু রয়ে গেল।’
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট।

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি 


















