Dhaka ১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ আব্বাসউদ্দীনের জন্মবার্ষিকীতে ভাওয়াইয়া আসর: ও মোর কালারে কালা পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ১১ ও হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু দিনাজপুরকে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা জিডি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, অপপ্রচারের অভিযোগ খেলতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক পলাতক তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা

বিদ্যালয় শিক্ষকশূন্য রেখে একমাত্র শিক্ষককেও বদলি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭৪ Time View

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আন্তঃউপজেলা বদলিতে বদলি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে অর্থের বিনিময়ে বদলি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলায় মোট ১১জন শিক্ষকের বদলি আদেশের মধ্যে ৮জনের বদলির ক্ষেত্রেই কোন নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এতে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট ও কোনো বিদ্যালয় শিক্ষকশূন্য হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আন্তঃউপজেলা বদলির জন্য আবেদন করেন ২৮ জন বদলি প্রত্যাশী শিক্ষক। সেখান থেকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই পূর্বক গত ২৯ সেপ্টেম্বর ১১ জন শিক্ষকের বদলি আদেশ জারি করা হয়। সহকারী শিক্ষক বদলি নীতিমালায় ৫ জন বা তার কম শিক্ষক কর্মরত থাকা বিদ্যালয় হতে শিক্ষক বদলি না করার বিধান থাকলেও সে নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বদলি আদেশ প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে।

বদলি আদেশ তালিকার ৫ নম্বর ক্রমিকের মো. নুর আলমকে গৌড়মোহনহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে রাজারভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। ৪ পদের বিদ্যালয়টিতে কর্মরত ছিলেন একজন মাত্র শিক্ষক। সেখান থেকে একমাত্র শিক্ষককেও বদলি
করায় স্কুলটি এখন শিক্ষকশুন্য হয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। ৩ নম্বর ক্রমিকের মো. বাবলু মিয়াকে নটারকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে রাণীগঞ্জ মদনমোহন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। ৮ পদের ওই স্কুলটিতে কর্মরত শিক্ষক ছিলেন ৪জন, সেখান থেকে একজনকে বদলি করায় ২৩২জন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক থাকলেন মাত্র ৩জন। ১০নম্বর ক্রমিকে থাকা মো. জোনাব আলীকে খোদ্দ বাঁশপাতারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে বদলি করে চর পাত্রখাতা উত্তরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। অথচ সেখানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন ওই জোনাব আলী। সেখানে কর্মরত আছেন ২জন নারী শিক্ষক, যারা কুড়িগ্রাম শহর থেকে স্কুল করেন বলে জানা গেছে। ১৫২জন শিক্ষার্থী থাকা ৬পদের স্কুল মুদাফৎ কালিকাপুর
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে কর্মরত ২ জন শিক্ষকের মধ্যে তালিকার ১১নম্বর ক্রমিকে থাকা মোছা. মাসুমা আক্তারকে বদলি করে মুদাফৎথানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। সেখানে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীকে পড়াবেন একজন মাত্র শিক্ষক। ৮নম্বর ক্রমিকে মো. মনোয়ারুল ইসলামকে ছালীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে বদলি করে ডাঙ্গার চর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ১৫১শিক্ষার্থীর পাঠদান করছিলেন ৪জন শিক্ষক। নীতিমালা না মেনে সেখান থেকে ১জনকে বদলি করা হয়েছে। ৯নম্বর ক্রমিকে থাকা মো. মোবারক হোসেনকে উত্তর খাওরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে মগড়াকুড়া আকন্দপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ৬পদের স্থলে কর্মরত ৩জনের মধ্যে একজন পিটিআই প্রশিক্ষণে থাকায় ৯০জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করাচ্ছিলেন ২জন শিক্ষক সেখান থেকে একজন বদলি করায় ৯০জন শিক্ষার্থীর জন্য থাকলেন একজন মাত্র শিক্ষক। ৪নম্বর ক্রমিকের মোছা. তামান্না ইসলাম তৃষাকে নাওশালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ফকিরপাড়া সরকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে কর্মরত ৩জন শিক্ষকের মধ্যে এক জনকে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে বদলি করার অভিযোগ উঠেছে। ২নম্বর ক্রমিকে মোছা. মহসিনা খাতুনকে ঢুষমারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে নিয়ম না মেনেই দেয়া হয়েছে সোনারীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

চর মুদাফৎকালিকাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়ারা খাতুন বলেন,বদলি প্রক্রিয়ায় নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। শিক্ষক নেতাদের যোগসাজশে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে বদলি করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাচাই কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, কে কোথায় আর্থিক লেনদেন করেছে বিষয়টি আমার জানা নেই। প্রতিষ্ঠান শূন্য রেখে একমাত্র শিক্ষককে বদলির প্রসঙ্গে তিনি জানান, নতুন শিক্ষক যোগদান না করা পর্যন্ত ওই শিক্ষক ওখানেই থাকবেন। শিক্ষক বদলিতে জ্যেষ্ঠতার নিয়ম ভঙ্গের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, আমার এখানে কোন দায় নেই। বদলি কমিটিতে দুজন জনপ্রতিনিধি রয়েছেন তাদের সাথে কথা বলেন। আর লিখিত অভিযোগ হলে আমি ব্যবস্থা নিবো। অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান শূন্য রেখে বদলির কোন নিয়ম নেই।

প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাচাই কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, সব নিয়ম মেনেই বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ

বিদ্যালয় শিক্ষকশূন্য রেখে একমাত্র শিক্ষককেও বদলি

Update Time : ০৫:০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আন্তঃউপজেলা বদলিতে বদলি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে অর্থের বিনিময়ে বদলি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলায় মোট ১১জন শিক্ষকের বদলি আদেশের মধ্যে ৮জনের বদলির ক্ষেত্রেই কোন নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এতে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট ও কোনো বিদ্যালয় শিক্ষকশূন্য হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আন্তঃউপজেলা বদলির জন্য আবেদন করেন ২৮ জন বদলি প্রত্যাশী শিক্ষক। সেখান থেকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই পূর্বক গত ২৯ সেপ্টেম্বর ১১ জন শিক্ষকের বদলি আদেশ জারি করা হয়। সহকারী শিক্ষক বদলি নীতিমালায় ৫ জন বা তার কম শিক্ষক কর্মরত থাকা বিদ্যালয় হতে শিক্ষক বদলি না করার বিধান থাকলেও সে নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বদলি আদেশ প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে।

বদলি আদেশ তালিকার ৫ নম্বর ক্রমিকের মো. নুর আলমকে গৌড়মোহনহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে রাজারভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। ৪ পদের বিদ্যালয়টিতে কর্মরত ছিলেন একজন মাত্র শিক্ষক। সেখান থেকে একমাত্র শিক্ষককেও বদলি
করায় স্কুলটি এখন শিক্ষকশুন্য হয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। ৩ নম্বর ক্রমিকের মো. বাবলু মিয়াকে নটারকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে রাণীগঞ্জ মদনমোহন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। ৮ পদের ওই স্কুলটিতে কর্মরত শিক্ষক ছিলেন ৪জন, সেখান থেকে একজনকে বদলি করায় ২৩২জন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক থাকলেন মাত্র ৩জন। ১০নম্বর ক্রমিকে থাকা মো. জোনাব আলীকে খোদ্দ বাঁশপাতারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে বদলি করে চর পাত্রখাতা উত্তরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। অথচ সেখানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন ওই জোনাব আলী। সেখানে কর্মরত আছেন ২জন নারী শিক্ষক, যারা কুড়িগ্রাম শহর থেকে স্কুল করেন বলে জানা গেছে। ১৫২জন শিক্ষার্থী থাকা ৬পদের স্কুল মুদাফৎ কালিকাপুর
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে কর্মরত ২ জন শিক্ষকের মধ্যে তালিকার ১১নম্বর ক্রমিকে থাকা মোছা. মাসুমা আক্তারকে বদলি করে মুদাফৎথানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। সেখানে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীকে পড়াবেন একজন মাত্র শিক্ষক। ৮নম্বর ক্রমিকে মো. মনোয়ারুল ইসলামকে ছালীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে বদলি করে ডাঙ্গার চর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ১৫১শিক্ষার্থীর পাঠদান করছিলেন ৪জন শিক্ষক। নীতিমালা না মেনে সেখান থেকে ১জনকে বদলি করা হয়েছে। ৯নম্বর ক্রমিকে থাকা মো. মোবারক হোসেনকে উত্তর খাওরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে মগড়াকুড়া আকন্দপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনা হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ৬পদের স্থলে কর্মরত ৩জনের মধ্যে একজন পিটিআই প্রশিক্ষণে থাকায় ৯০জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করাচ্ছিলেন ২জন শিক্ষক সেখান থেকে একজন বদলি করায় ৯০জন শিক্ষার্থীর জন্য থাকলেন একজন মাত্র শিক্ষক। ৪নম্বর ক্রমিকের মোছা. তামান্না ইসলাম তৃষাকে নাওশালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ফকিরপাড়া সরকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে কর্মরত ৩জন শিক্ষকের মধ্যে এক জনকে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে বদলি করার অভিযোগ উঠেছে। ২নম্বর ক্রমিকে মোছা. মহসিনা খাতুনকে ঢুষমারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে নিয়ম না মেনেই দেয়া হয়েছে সোনারীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

চর মুদাফৎকালিকাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়ারা খাতুন বলেন,বদলি প্রক্রিয়ায় নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। শিক্ষক নেতাদের যোগসাজশে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে বদলি করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাচাই কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, কে কোথায় আর্থিক লেনদেন করেছে বিষয়টি আমার জানা নেই। প্রতিষ্ঠান শূন্য রেখে একমাত্র শিক্ষককে বদলির প্রসঙ্গে তিনি জানান, নতুন শিক্ষক যোগদান না করা পর্যন্ত ওই শিক্ষক ওখানেই থাকবেন। শিক্ষক বদলিতে জ্যেষ্ঠতার নিয়ম ভঙ্গের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, আমার এখানে কোন দায় নেই। বদলি কমিটিতে দুজন জনপ্রতিনিধি রয়েছেন তাদের সাথে কথা বলেন। আর লিখিত অভিযোগ হলে আমি ব্যবস্থা নিবো। অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান শূন্য রেখে বদলির কোন নিয়ম নেই।

প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাচাই কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, সব নিয়ম মেনেই বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।