Dhaka ১০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশেস সাথে সংঘর্ষ মার্কিন ডিভি লটারি চালুর নির্দেশ স্থগিত করলেন আপিল আদালত ব্রহ্মপুত্রের বুকে নৌকার পাটাতনে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু গাইবান্ধায় শতভাগ ফেলের তালিকায় জুমারবাড়ি ও ফকিরহাট মহিলা কলেজ : ৩ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য এইচএসসি: এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষা, সুযোগ পাবেন ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী সুন্দরগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৫ দোকান, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি এইচএসসির ফলে বড় ধস: পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই তলানিতে গড় পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ, কোন বোর্ডে পাশের হার কত? কৃষকের সন্তান থেকে চিকিৎসক হওয়ার পথে শাকিল

গাইবান্ধায় শতভাগ ফেলের তালিকায় জুমারবাড়ি ও ফকিরহাট মহিলা কলেজ : ৩ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭৪ Time View

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার দুটি নারী কলেজ থেকে অংশ নেওয়া কোনো পরীক্ষার্থীই এ বছর উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান দুটিতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র তিনজন এবং তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এ চিত্র দেখা যায়।

শতভাগ অনুত্তীর্ণ কলেজ দুটি হলো—পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ ও সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ। এর মধ্যে মানবিক বিভাগ থেকে ফকিরহাট মহিলা কলেজের দুজন এবং জুমারবাড়ী মহিলা কলেজের একজন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কেউই পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে টানা তিন বছর ধরে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারছে না।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ডের অধীন মোট ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। সেই তালিকার মধ্যেই রয়েছে গাইবান্ধার এই দুটি নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান।

দীর্ঘদিনেও এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং শিক্ষক সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষার পরিবেশ ও মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকসহ স্থানীয়রা। ফলাফলের বিষয়ে সাঘাটার জুমারবাড়ী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে পলাশবাড়ীর ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রহমান রশিদ বলেন, “এ বছর মানবিক বিভাগ থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দুজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, কিন্তু কেউই পাস করতে পারেনি। ২০০০ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কেবল পাঠদানের অনুমতি রয়েছে, এমপিওভুক্ত হয়নি। দীর্ঘদিনেও এমপিও না হওয়ায় শিক্ষকরা একপ্রকার আশা ছেড়ে দিয়েছেন এবং নিয়মিত পাঠদানে আসছেন না। বিনা বেতনে শিক্ষকরা কতদিন সংসার চালাবেন? শিক্ষক সংকটের কারণেই মূলত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করা সম্ভব হচ্ছে না।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

গাইবান্ধায় শতভাগ ফেলের তালিকায় জুমারবাড়ি ও ফকিরহাট মহিলা কলেজ : ৩ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য

Update Time : ০৫:৩২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার দুটি নারী কলেজ থেকে অংশ নেওয়া কোনো পরীক্ষার্থীই এ বছর উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান দুটিতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র তিনজন এবং তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এ চিত্র দেখা যায়।

শতভাগ অনুত্তীর্ণ কলেজ দুটি হলো—পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ ও সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ। এর মধ্যে মানবিক বিভাগ থেকে ফকিরহাট মহিলা কলেজের দুজন এবং জুমারবাড়ী মহিলা কলেজের একজন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কেউই পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে টানা তিন বছর ধরে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারছে না।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ডের অধীন মোট ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। সেই তালিকার মধ্যেই রয়েছে গাইবান্ধার এই দুটি নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান।

দীর্ঘদিনেও এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং শিক্ষক সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষার পরিবেশ ও মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকসহ স্থানীয়রা। ফলাফলের বিষয়ে সাঘাটার জুমারবাড়ী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে পলাশবাড়ীর ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রহমান রশিদ বলেন, “এ বছর মানবিক বিভাগ থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দুজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, কিন্তু কেউই পাস করতে পারেনি। ২০০০ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কেবল পাঠদানের অনুমতি রয়েছে, এমপিওভুক্ত হয়নি। দীর্ঘদিনেও এমপিও না হওয়ায় শিক্ষকরা একপ্রকার আশা ছেড়ে দিয়েছেন এবং নিয়মিত পাঠদানে আসছেন না। বিনা বেতনে শিক্ষকরা কতদিন সংসার চালাবেন? শিক্ষক সংকটের কারণেই মূলত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করা সম্ভব হচ্ছে না।”