
সাঘাটা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুদ করার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ সাথালিয়া ও মুন্সিরহাট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কাজের দোহাই দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, মজুদ ও সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির অভিযোগ ওঠে দক্ষিণ সাথালিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।
এরই প্রেক্ষিতে গত ২৮ অক্টোবর বিকেলে উপজেলা প্রশাসন সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বালু উত্তোলন ও মজুদের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে আলমগীর হোসেন কোনো বৈধ প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। নিজেকে পাউবোর সাব-ঠিকাদার দাবি করলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, তার নামে কোনো কাজের অনুমোদন নেই। এছাড়া স্থানীয়দের সাক্ষ্যেও অবৈধ বালু বিক্রির সত্যতা মেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এই আইনগত পদক্ষেপের পর থেকেই দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষিপ্ত হয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে জড়িয়ে ফেসবুকে অশোভন মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান, সাঘাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নামজারিসহ ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে স্বচ্ছতা এসেছে এবং সেবাগ্রহীতারা হয়রানি থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণেই একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।

Reporter Name 


















