Dhaka ০৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় দীঘিতে গোসলে নেমে তিন বন্ধুর তর্ক, এক কিশোরকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ জিইউকের ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: আনন্দলোক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ জিইউকের ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: আনন্দলোক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ গাইবান্ধায় সামাজিক সংগঠন ‘হৃদয়ে চরাঞ্চল’-এর সূচনা সভা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়িতে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়া, এলাকায় থমথমে অবস্থা অবশেষে সত্যি হলো গুঞ্জন, শাকিবের সেই নীতিই মেনেছিলেন বুবলী বিশ্বকাপ ফুটবল সরাসরি দেখাবে বিটিভি বিশেষ অসহায় নারীর জমিসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ, থানায় মেলেনি প্রতিকার গাইবান্ধায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকের পুরস্কার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে যুবকের মৃত্যু, অসুস্থ ২

গাইবান্ধায় দীঘিতে গোসলে নেমে তিন বন্ধুর তর্ক, এক কিশোরকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ১০২ Time View

 প্রতিনিধি গাইবান্ধা:

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বন্ধুদের সাথে দীঘিতে গোসলে নেমে তর্কের জেরে রাহাত (১৫) নামের এক কিশোরকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের ‘হাওয়াই দীঘি’তে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত রাহাত উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাহাত তার দুই বন্ধু সাকিব (১৫) ও রিফাতের (১৫) সাথে হাওয়াই দীঘিতে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তিন বন্ধুর মধ্যে প্রচণ্ড তর্কাতর্কি শুরু হয়। এর জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিব ও রিফাত মিলে রাহাতকে পানির নিচে জোরপূর্বক চুবিয়ে ধরে রাখে। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পানির নিচেই অচেতন হয়ে পড়ে রাহাত।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুই কিশোর স্থান থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রাহাতকে অচেতন অবস্থায় দীঘি থেকে উদ্ধার করে দ্রুত গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রাহাতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাহাতকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছে তার বন্ধুরা। অভিযুক্ত সাকিব একই এলাকার জবান আলীর ছেলে এবং রিফাত সাইদুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তারা দুজনই পলাতক রয়েছে।

এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সুরতহালে মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

তিনি আরও জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ও অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে এবং আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গাইবান্ধায় দীঘিতে গোসলে নেমে তিন বন্ধুর তর্ক, এক কিশোরকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ

গাইবান্ধায় দীঘিতে গোসলে নেমে তিন বন্ধুর তর্ক, এক কিশোরকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ

Update Time : ১১:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

 প্রতিনিধি গাইবান্ধা:

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বন্ধুদের সাথে দীঘিতে গোসলে নেমে তর্কের জেরে রাহাত (১৫) নামের এক কিশোরকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের ‘হাওয়াই দীঘি’তে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত রাহাত উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাহাত তার দুই বন্ধু সাকিব (১৫) ও রিফাতের (১৫) সাথে হাওয়াই দীঘিতে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তিন বন্ধুর মধ্যে প্রচণ্ড তর্কাতর্কি শুরু হয়। এর জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিব ও রিফাত মিলে রাহাতকে পানির নিচে জোরপূর্বক চুবিয়ে ধরে রাখে। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পানির নিচেই অচেতন হয়ে পড়ে রাহাত।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুই কিশোর স্থান থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রাহাতকে অচেতন অবস্থায় দীঘি থেকে উদ্ধার করে দ্রুত গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রাহাতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাহাতকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছে তার বন্ধুরা। অভিযুক্ত সাকিব একই এলাকার জবান আলীর ছেলে এবং রিফাত সাইদুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তারা দুজনই পলাতক রয়েছে।

এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সুরতহালে মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

তিনি আরও জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ও অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে এবং আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।