Dhaka ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পত্নীতলায় ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু শ্বশুরবাড়িতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাইয়ের মৃত্যু  চিলমারীতে হঠাৎ দমকা হাওয়ায় ডুবে গেছে ৭টি নৌকা সুন্দরগঞ্জে বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন নওগাঁয় বাসের বক্সের ঢাকনার আঘাতে অটোরিকশার ১ যাত্রী নিহত, আহত ২ শিশু   সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বকাপে জিতবে কোন দল? গোবিন্দগঞ্জে এক মানসিক রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জ্যৈষ্ঠের দাবদাহে পুড়ছে দেশ, জুনে ২-৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা: ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা ইরানের মুক্তিযুদ্ধের সময় নিখোঁজ বাবা: ৫৪ বছর পর বাংলাদেশে জন্মভিটার সন্ধান পেল পাকিস্তানে বেড়ে ওঠা ছেলে

তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে ফুলছড়িতে মানববন্ধন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ৫৪ Time View
নিজস্ব প্রতিবেদক: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট হতে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীতে সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, ছাত্র-জনতা এবং নদী অববাহিকার হাজারো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখা বক্তারা বলেন, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট ফেরি রুটটি ছিল উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই রুটটি বন্ধ থাকায় এবং যমুনা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দূরত্ব কমিয়ে আনতে এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সংযোগ সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। এই সেতুটি নির্মিত হলে অবহেলিত চরাঞ্চল ও জেলাগুলোর কৃষি, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে।

​কর্মসূচিতে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে সেতু বা টানেল নির্মাণ এ অঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। অন্যথায় আগামীতে চরাঞ্চলসহ পুরো জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে মানববন্ধন থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একটি স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পত্নীতলায় ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে ফুলছড়িতে মানববন্ধন

Update Time : ০৮:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট হতে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীতে সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, ছাত্র-জনতা এবং নদী অববাহিকার হাজারো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখা বক্তারা বলেন, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট ফেরি রুটটি ছিল উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই রুটটি বন্ধ থাকায় এবং যমুনা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দূরত্ব কমিয়ে আনতে এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সংযোগ সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। এই সেতুটি নির্মিত হলে অবহেলিত চরাঞ্চল ও জেলাগুলোর কৃষি, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে।

​কর্মসূচিতে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে সেতু বা টানেল নির্মাণ এ অঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। অন্যথায় আগামীতে চরাঞ্চলসহ পুরো জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে মানববন্ধন থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একটি স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।