Dhaka ০৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
খোলা বাজারে সরকারি বীজ বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার সাঁতরে পার হওয়ার সময় বাঙালি নদীতে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে রাজি মিয়ানমার: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো

তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে ফুলছড়িতে মানববন্ধন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ১০০ Time View
নিজস্ব প্রতিবেদক: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট হতে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীতে সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, ছাত্র-জনতা এবং নদী অববাহিকার হাজারো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখা বক্তারা বলেন, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট ফেরি রুটটি ছিল উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই রুটটি বন্ধ থাকায় এবং যমুনা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দূরত্ব কমিয়ে আনতে এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সংযোগ সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। এই সেতুটি নির্মিত হলে অবহেলিত চরাঞ্চল ও জেলাগুলোর কৃষি, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে।

​কর্মসূচিতে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে সেতু বা টানেল নির্মাণ এ অঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। অন্যথায় আগামীতে চরাঞ্চলসহ পুরো জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে মানববন্ধন থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একটি স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

খোলা বাজারে সরকারি বীজ বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড

তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে ফুলছড়িতে মানববন্ধন

Update Time : ০৮:২৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট হতে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীতে সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, ছাত্র-জনতা এবং নদী অববাহিকার হাজারো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখা বক্তারা বলেন, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট ফেরি রুটটি ছিল উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই রুটটি বন্ধ থাকায় এবং যমুনা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। উত্তরবঙ্গের রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দূরত্ব কমিয়ে আনতে এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ সংযোগ সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। এই সেতুটি নির্মিত হলে অবহেলিত চরাঞ্চল ও জেলাগুলোর কৃষি, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে।

​কর্মসূচিতে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে সেতু বা টানেল নির্মাণ এ অঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। অন্যথায় আগামীতে চরাঞ্চলসহ পুরো জেলাজুড়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে মানববন্ধন থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একটি স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।