Dhaka ০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুন্দরগঞ্জে বিপুল পরিমাণ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, জরিমানা সুন্দরগঞ্জে জমি দখলে নিতে বিধবার কাঁচা ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক: আর্থিক লেনদেন না করার অনুরোধ নওগাঁ কারা হেফাজতে বগুড়ার আওয়ামী লীগ নেতার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার সাঘাটায় ‘চর’ পাইলট প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বীরমুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও ‎দাফনে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন সুন্দরগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষ: নিহত ২, আহত ১ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাসাদের কাছে বিমান বিব্ধস্ত, পাইলটসহ সকল আরোহীর মৃত্যু

চাচাকে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজাসহ গ্রেফতার ৪

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮৮ Time View

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় আদা চন্দ্র দাস নামের এক ব্যক্তি কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ভাতিজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শনিবার (২২ আগস্ট)  দুপুরে র‌্যাব-১৩ গাইবান্ধ ক্যাম্প এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন, নিপেন দাস খইলশা (৬১), শঙ্করাজ সেন ঠাকুর দাশ (২৮), সত্য সেন ওরফে সত্য দাশ (২১) ও  শংকরী রানী (৫১)।

নিহত আদা চন্দ্র দাস সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের দশলিয়া বেহারাপাড়া (রায়পাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়- পারিবারিক বসতভিটার সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদা চন্দ্র দাসের সঙ্গে তার বড় ভাই নিপেন চন্দ্র দাসের বিরোধ চলছিল।এরই জেরে গত ৩ জুলাই নিপেন চন্দ্র দাস বিরোধপূর্ণ জায়গায় একটি টয়লেট নির্মাণ শুরু করলে এ নিয়ে উভয় পরিবারের লোকজনের বাকবিতণ্ডা হয়।

পরদিন ৪ জুলাই সকাল ১০ টার দিকে পুনরায় নিপেন দাসকে টয়লেট নির্মাণ করতে নিষেধ করে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়। একইদিন দুপুরে আদা চন্দ্র দাস বাড়ির সামনে ছাগল চরাতে গেলে নিপেন চন্দ্র দাস ও তার দুই ছেলে শংরাজ ও সত্য দাসসহ পরিবারের অন্যান্য লোকজন তাকে ঘিরে ফেলে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় আদা চন্দ্র দাসকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক  মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে গত ৪ জুলাই সাদুল্লাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তখন থেকেই অভিযুক্তরা গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৩, গাইবান্ধা এবং সিপিএসসি, র‌্যাব- ১২, বগুড়ার যৌথ আভিযানিক দল শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে। বগুড়া সদর থানাধীন নাটাইপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাক বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযুক্ত ওই চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাদুল্লাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সমাজ থেকে হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সুন্দরগঞ্জে বিপুল পরিমাণ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, জরিমানা

চাচাকে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজাসহ গ্রেফতার ৪

Update Time : ০৫:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় আদা চন্দ্র দাস নামের এক ব্যক্তি কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ভাতিজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শনিবার (২২ আগস্ট)  দুপুরে র‌্যাব-১৩ গাইবান্ধ ক্যাম্প এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন, নিপেন দাস খইলশা (৬১), শঙ্করাজ সেন ঠাকুর দাশ (২৮), সত্য সেন ওরফে সত্য দাশ (২১) ও  শংকরী রানী (৫১)।

নিহত আদা চন্দ্র দাস সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের দশলিয়া বেহারাপাড়া (রায়পাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়- পারিবারিক বসতভিটার সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদা চন্দ্র দাসের সঙ্গে তার বড় ভাই নিপেন চন্দ্র দাসের বিরোধ চলছিল।এরই জেরে গত ৩ জুলাই নিপেন চন্দ্র দাস বিরোধপূর্ণ জায়গায় একটি টয়লেট নির্মাণ শুরু করলে এ নিয়ে উভয় পরিবারের লোকজনের বাকবিতণ্ডা হয়।

পরদিন ৪ জুলাই সকাল ১০ টার দিকে পুনরায় নিপেন দাসকে টয়লেট নির্মাণ করতে নিষেধ করে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়। একইদিন দুপুরে আদা চন্দ্র দাস বাড়ির সামনে ছাগল চরাতে গেলে নিপেন চন্দ্র দাস ও তার দুই ছেলে শংরাজ ও সত্য দাসসহ পরিবারের অন্যান্য লোকজন তাকে ঘিরে ফেলে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় আদা চন্দ্র দাসকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক  মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে গত ৪ জুলাই সাদুল্লাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তখন থেকেই অভিযুক্তরা গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৩, গাইবান্ধা এবং সিপিএসসি, র‌্যাব- ১২, বগুড়ার যৌথ আভিযানিক দল শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে। বগুড়া সদর থানাধীন নাটাইপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাক বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযুক্ত ওই চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাদুল্লাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সমাজ থেকে হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।