Dhaka ১২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পত্নীতলায় ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু শ্বশুরবাড়িতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাইয়ের মৃত্যু  চিলমারীতে হঠাৎ দমকা হাওয়ায় ডুবে গেছে ৭টি নৌকা সুন্দরগঞ্জে বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন নওগাঁয় বাসের বক্সের ঢাকনার আঘাতে অটোরিকশার ১ যাত্রী নিহত, আহত ২ শিশু   সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বকাপে জিতবে কোন দল? গোবিন্দগঞ্জে এক মানসিক রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জ্যৈষ্ঠের দাবদাহে পুড়ছে দেশ, জুনে ২-৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা: ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা ইরানের মুক্তিযুদ্ধের সময় নিখোঁজ বাবা: ৫৪ বছর পর বাংলাদেশে জন্মভিটার সন্ধান পেল পাকিস্তানে বেড়ে ওঠা ছেলে

এক রসিদ বিক্রি ১০ জনের কাছে, খাতুনগঞ্জে ৬০০ মধ্যস্বত্বভোগী শনাক্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩
  • ৩৪৯ Time View

পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে দেশের অন্যতম বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ৬০০’র বেশি মধ্যস্বত্বভোগীকে শনাক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। যারা দাম বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত। 

অভিযানে দেখা যায়, ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হচ্ছে ১০ জনেরও বেশি মানুষের কাছে

 

রোববার (২১ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় মূল্যতালিকা না থাকা এবং ক্রয়-বিক্রয় রসিদ সংরক্ষণ না করাসহ নানা অনিয়মের দায়ে বার আওলিয়া ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর বাণিজ্যালয়কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জাহেদ নামের একজন বেপারীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, বাজারে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীর মধ্যে মধ্যস্বত্বভোগী একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী। এইখানে ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হয় ১০ জনের অধিকের কাছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেডিংয়ের দোকান থেকে ৬০০ এর উপরে মধ্যসত্বভোগীদের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিয়েছি। যাদের মাধ্যমে একটি পণ্যের দাম হাত বদল হয়ে বাড়তে থাকে। এইখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পাশাপাশি মিল মালিকদের কারসাজিও আছে। এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে এদের ট্রেড লাইসেন্স চেকিংসহ পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমরা সিন্ডিকেটের কিছু নামের তালিকা সংগ্রহ করেছি।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পত্নীতলায় ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

এক রসিদ বিক্রি ১০ জনের কাছে, খাতুনগঞ্জে ৬০০ মধ্যস্বত্বভোগী শনাক্ত

Update Time : ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে দেশের অন্যতম বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ৬০০’র বেশি মধ্যস্বত্বভোগীকে শনাক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। যারা দাম বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত। 

অভিযানে দেখা যায়, ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হচ্ছে ১০ জনেরও বেশি মানুষের কাছে

 

রোববার (২১ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় মূল্যতালিকা না থাকা এবং ক্রয়-বিক্রয় রসিদ সংরক্ষণ না করাসহ নানা অনিয়মের দায়ে বার আওলিয়া ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর বাণিজ্যালয়কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জাহেদ নামের একজন বেপারীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, বাজারে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীর মধ্যে মধ্যস্বত্বভোগী একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী। এইখানে ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হয় ১০ জনের অধিকের কাছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেডিংয়ের দোকান থেকে ৬০০ এর উপরে মধ্যসত্বভোগীদের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিয়েছি। যাদের মাধ্যমে একটি পণ্যের দাম হাত বদল হয়ে বাড়তে থাকে। এইখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পাশাপাশি মিল মালিকদের কারসাজিও আছে। এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে এদের ট্রেড লাইসেন্স চেকিংসহ পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমরা সিন্ডিকেটের কিছু নামের তালিকা সংগ্রহ করেছি।