Dhaka ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো আড়াই বছর ধরে আটকে গাইবান্ধার ৯ সেতুর কাজ, ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কায় দুর্ভোগে মানুষ ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে ফিলিস্তিনিরা গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিরাপদ নওগাঁ গঠনে শিক্ষার্থীদের সাথে র‍্যাবের মতবিনিময় সভা অভিভাবকের উদাসীনতাই তরুণ প্রজন্মের অবক্ষয়ের জন্য দায়ী? এবার সয়াবিন তেলে মিলল বিপুল পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক

গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা: অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩২৩ Time View

আফতাব হোসেন, গাইবান্ধা:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাংবিধানিক গণভোট-২০২৬ কে কেন্দ্র করে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ হয়েছে এক নতুন মাত্রা। ভোটারদের মুখোমুখি হয়ে জবাবদিহিতা, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাইবান্ধা পৌর পার্কে নাগরিক সংগঠন ‘সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক’ গাইবান্ধা জেলা কমিটির উদ্যোগে ‘জনগণের মুখোমুখি’ এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে গাইবান্ধা-২ আসনের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৭ জন প্রার্থী একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী আহ্সানুল হাবীব সাঈদ (প্রতীক: কাঁচি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মিহির কুমার ঘোষ (প্রতীক: কাস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবুল মালেক (প্রতীক: হাতপাখা) এবং জনতা দলের মো. শাহেদ সরওয়ার (প্রতীক: কলম)।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সুজন-এর জেলা সভাপতি নিউটন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী। আলোচনার শুরুতেই প্রার্থীরা নাগরিকদের প্রত্যাশা শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ইশতেহার তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ভোটারদের সাথে প্রার্থীদের সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্ব। উপস্থিত সাধারণ ভোটাররা এলাকার উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন ও সুশাসন নিয়ে প্রার্থীদের প্রশ্ন করেন। জবাবে প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে প্রার্থীরা একটি লিখিত ‘অঙ্গীকারনামা’ পাঠ করেন এবং তাতে স্বাক্ষর করেন। তাঁরা একমত পোষণ করেন যে, জয়-পরাজয় যাই হোক, এলাকার উন্নয়নে তাঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলবেন। এ সময় ভোটাররাও একটি শপথ গ্রহণ করেন।

ভিন্নধর্মী এই আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন উপস্থিত সাধারণ নাগরিকরা। অনুষ্ঠানে আসা এক ভোটার বলেন, “এ ধরনের আয়োজনের ফলে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও তাদের চিন্তা-চেতনা সম্পর্কে আমরা স্বচ্ছ ধারণা পাচ্ছি। এটি আমাদের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচনে সহায়তা করবে।”

আয়োজক সংগঠন ‘সুজন’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, “একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশে ভোটারদের তথ্যভিত্তিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই তারা এই আয়োজন করে আসছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা: অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকার

Update Time : ০২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফতাব হোসেন, গাইবান্ধা:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাংবিধানিক গণভোট-২০২৬ কে কেন্দ্র করে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ হয়েছে এক নতুন মাত্রা। ভোটারদের মুখোমুখি হয়ে জবাবদিহিতা, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাইবান্ধা পৌর পার্কে নাগরিক সংগঠন ‘সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক’ গাইবান্ধা জেলা কমিটির উদ্যোগে ‘জনগণের মুখোমুখি’ এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে গাইবান্ধা-২ আসনের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৭ জন প্রার্থী একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী আহ্সানুল হাবীব সাঈদ (প্রতীক: কাঁচি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মিহির কুমার ঘোষ (প্রতীক: কাস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবুল মালেক (প্রতীক: হাতপাখা) এবং জনতা দলের মো. শাহেদ সরওয়ার (প্রতীক: কলম)।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সুজন-এর জেলা সভাপতি নিউটন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী। আলোচনার শুরুতেই প্রার্থীরা নাগরিকদের প্রত্যাশা শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ইশতেহার তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ভোটারদের সাথে প্রার্থীদের সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্ব। উপস্থিত সাধারণ ভোটাররা এলাকার উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন ও সুশাসন নিয়ে প্রার্থীদের প্রশ্ন করেন। জবাবে প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে প্রার্থীরা একটি লিখিত ‘অঙ্গীকারনামা’ পাঠ করেন এবং তাতে স্বাক্ষর করেন। তাঁরা একমত পোষণ করেন যে, জয়-পরাজয় যাই হোক, এলাকার উন্নয়নে তাঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলবেন। এ সময় ভোটাররাও একটি শপথ গ্রহণ করেন।

ভিন্নধর্মী এই আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন উপস্থিত সাধারণ নাগরিকরা। অনুষ্ঠানে আসা এক ভোটার বলেন, “এ ধরনের আয়োজনের ফলে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও তাদের চিন্তা-চেতনা সম্পর্কে আমরা স্বচ্ছ ধারণা পাচ্ছি। এটি আমাদের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচনে সহায়তা করবে।”

আয়োজক সংগঠন ‘সুজন’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, “একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশে ভোটারদের তথ্যভিত্তিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই তারা এই আয়োজন করে আসছে।