Dhaka ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ দিনাজপুরে ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন রাণীনগরে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন রেজু এমপি শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা খুন, ভাই গুরুতর আহত সাঘাটায় পাঠাগার উদ্বোধন: ‘জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে পাঠাগারের বিকল্প নেই’ বর্ণিল শোভাযাত্রা ও নানা আয়োজনে গাইবান্ধায় বর্ষবরণ কানাডার ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রথম বাংলাদেশির রেকর্ড প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আজ, শিক্ষার্থীদের মানতে হবে  ১০ নির্দেশনা সাপাহারে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মৌলভীবাজারে হবু স্ত্রীর সাথে প্রতারণা, হবু স্বামীকে পর্নোগ্ৰাফি মামলায় গ্রেপ্তার

সাদুল্লাপুর থেকে পর্দায়-নির্মাতা ও দর্শকদের নজরে তরুণ অভিনেতা আহমেদ রানা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৮৭ Time View

তোফায়েল হোসেন জাকির, সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা)

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা এক প্রতিভাবান তরুণের নাম আহমেদ রানা। শৈশব থেকেই বন্ধুদের সঙ্গে খুনসুটি ও দুষ্টুমিতে মেতে থাকতেন তিনি। সেই সময় তার স্বতঃস্ফূর্ত কমেডি কথাবার্তা আশপাশের মানুষকে আনন্দ দিত। সেই স্বাভাবিক অভিনয় প্রতিভাই আজ তাকে নিয়ে এসেছে বিনোদন অঙ্গনের আলোচনায়। ধীরে ধীরে নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন এই তরুণ অভিনেতা। ইতোমধ্যে বিভিন্ন নাটকে তার অভিনয় নির্মাতা ও দর্শকদের নজর কেড়েছে।

আহমেদ রানার বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছোট দাউদপুর গ্রামে। তিনি মোতালেব হোসেন ও চামেলী বেগম দম্পতির সন্তান। ছোটবেলা থেকেই আলো-ঝলমলে বিনোদন জগতের প্রতি তার ছিল বিশেষ আগ্রহ। অভিনয়চর্চার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে তার শিল্পীসত্তার ভিত। পেশাদারভাবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর পর সেই আগ্রহ আরও দৃঢ় হয়।

স্বাভাবিক অভিনয় দক্ষতা ও ক্যামেরার সামনে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির কারণে তিনি নির্মাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে একাধিক টিভি চ্যানেলে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক প্রচার হচ্ছে। এর মধ্যে এশিয়ান টেলিভিশনে ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’ এবং আরটিভিতে ‘ঘুরিতেছে পাংখা’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার আরও প্রায় ২০টি নাটক। এর মধ্যে রয়েছে-পাওয়ার, মুখোশের আড়ালে, ক্ষমতার লড়াই, প্রবাসীর বাড়ি ফেরা, সাদা কালো টিভি, অভিমান, প্রবাসীর বেইমান ভাই প্রভৃতি। বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে নির্মিত বিশেষ নাটক ‘কিক’-এও অভিনয় করেছেন তিনি। পাশাপাশি আরও কয়েকটি নতুন নাটকে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই তরুণ অভিনেতা।

নির্মাতা ও দর্শকদের মতে, আহমেদ রানার বড় শক্তি হলো তার আঞ্চলিক ভাষায় সাবলীল দক্ষতা। নোয়াখালী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, পাবনা, রাজশাহী, সিলেট, ঢাকা, বগুড়া, পুরান ঢাকা ও রংপুর অঞ্চলের ভাষায় তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে সংলাপ বলতে পারেন। চরিত্র বোঝার ক্ষমতা, সংলাপ বলার সাবলীলতা এবং চোখের অভিব্যক্তিতে কমেডি ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা তাকে আলাদা করে তুলেছে। ব্যস্ততার মাঝেও নিজের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এ বিষয়ে আহমেদ রানা বলেন, “অতিরিক্ত প্রচারণা নয়, একজন শিল্পীকে টিকিয়ে রাখে তার ভালো কাজ। তাই প্রতিটি কাজেই আন্তরিকতা ও পরিশ্রম দেওয়ার চেষ্টা করি।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ

সাদুল্লাপুর থেকে পর্দায়-নির্মাতা ও দর্শকদের নজরে তরুণ অভিনেতা আহমেদ রানা

Update Time : ০৩:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

তোফায়েল হোসেন জাকির, সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা)

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা এক প্রতিভাবান তরুণের নাম আহমেদ রানা। শৈশব থেকেই বন্ধুদের সঙ্গে খুনসুটি ও দুষ্টুমিতে মেতে থাকতেন তিনি। সেই সময় তার স্বতঃস্ফূর্ত কমেডি কথাবার্তা আশপাশের মানুষকে আনন্দ দিত। সেই স্বাভাবিক অভিনয় প্রতিভাই আজ তাকে নিয়ে এসেছে বিনোদন অঙ্গনের আলোচনায়। ধীরে ধীরে নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন এই তরুণ অভিনেতা। ইতোমধ্যে বিভিন্ন নাটকে তার অভিনয় নির্মাতা ও দর্শকদের নজর কেড়েছে।

আহমেদ রানার বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছোট দাউদপুর গ্রামে। তিনি মোতালেব হোসেন ও চামেলী বেগম দম্পতির সন্তান। ছোটবেলা থেকেই আলো-ঝলমলে বিনোদন জগতের প্রতি তার ছিল বিশেষ আগ্রহ। অভিনয়চর্চার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে তার শিল্পীসত্তার ভিত। পেশাদারভাবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর পর সেই আগ্রহ আরও দৃঢ় হয়।

স্বাভাবিক অভিনয় দক্ষতা ও ক্যামেরার সামনে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির কারণে তিনি নির্মাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে একাধিক টিভি চ্যানেলে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক প্রচার হচ্ছে। এর মধ্যে এশিয়ান টেলিভিশনে ‘ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’ এবং আরটিভিতে ‘ঘুরিতেছে পাংখা’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার আরও প্রায় ২০টি নাটক। এর মধ্যে রয়েছে-পাওয়ার, মুখোশের আড়ালে, ক্ষমতার লড়াই, প্রবাসীর বাড়ি ফেরা, সাদা কালো টিভি, অভিমান, প্রবাসীর বেইমান ভাই প্রভৃতি। বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে নির্মিত বিশেষ নাটক ‘কিক’-এও অভিনয় করেছেন তিনি। পাশাপাশি আরও কয়েকটি নতুন নাটকে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই তরুণ অভিনেতা।

নির্মাতা ও দর্শকদের মতে, আহমেদ রানার বড় শক্তি হলো তার আঞ্চলিক ভাষায় সাবলীল দক্ষতা। নোয়াখালী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, পাবনা, রাজশাহী, সিলেট, ঢাকা, বগুড়া, পুরান ঢাকা ও রংপুর অঞ্চলের ভাষায় তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে সংলাপ বলতে পারেন। চরিত্র বোঝার ক্ষমতা, সংলাপ বলার সাবলীলতা এবং চোখের অভিব্যক্তিতে কমেডি ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা তাকে আলাদা করে তুলেছে। ব্যস্ততার মাঝেও নিজের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এ বিষয়ে আহমেদ রানা বলেন, “অতিরিক্ত প্রচারণা নয়, একজন শিল্পীকে টিকিয়ে রাখে তার ভালো কাজ। তাই প্রতিটি কাজেই আন্তরিকতা ও পরিশ্রম দেওয়ার চেষ্টা করি।”