Dhaka ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ আব্বাসউদ্দীনের জন্মবার্ষিকীতে ভাওয়াইয়া আসর: ও মোর কালারে কালা পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ১১ ও হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু দিনাজপুরকে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা জিডি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, অপপ্রচারের অভিযোগ খেলতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক পলাতক তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা

সৌদি আরবে আগুনে মৃত্যু: পরিচয় মিলেছে নওগাঁর ১৩ জনের

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ২২৭ Time View
নওগাঁ প্রতিনিধি: সৌদি আরবের রিয়াদের মানফুয়া এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকান্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁ জেলায়। নিহতদের মধ্যে ১২ জন আত্রাই ও একজন নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নিহতরা হলেন, আত্রাই উপজেলার সাদনগর গ্রামের সাগর (৩৮), খরস্রােতা গ্রামের মজিদুল (৩৪) ও আব্দুল জলিল (৪৮), উজানপৈ গ্রামের ফরিদ শেখ (৩২), ডুবাই গ্রামের সুমন (৩১) ও হাসিবুল হাসান শুভ (৩৭), কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের মহন প্রামাণিক (২২) ও তাঁর ছোট ভাই সুমন প্রামাণিক (১৬), একই গ্রামের রুবেল প্রামাণিক (৩০), কলিমুল্লাহ প্রামাণিক (৩৫), বোয়ালা গ্রামের হৃদয় (৩২), মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ (৩০) এবং নওগাঁ সদর উপজেলার নওগাঁ পৌরসভার পার-নওগাঁ এলাকার শাহিন (৩৮)।

নিহতদের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবের রিয়াদের মানফুয়া এলাকার একটি সোফা তৈরির কারখানায় নওগাঁর আত্রাই, সদর, নাটোরের নলডাঙ্গা ও রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বেশ কিছু শ্রমিক কাজ করতেন। গতকাল রোববার স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই কারখানায় আগুন লাগে। অগ্নিকা-ের ঘটনায় ওই কারখানার মধ্যে আটকে পড়া ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই ও সদর উপজেলায়। বাকি দুইজনের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় এবং একজনের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়।
সৌদির রিয়াদে থাকা অন্য বাংলাদেশি প্রবাসীদের বরাত দিয়ে ফরিদ শেখের চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকা-ের সময় ওই কারখানায় থাকা শ্রমিকেরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। কারখানার মূল ফটক বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। ঘুমন্ত অবস্থায় কারখানায় আগুন লাগায় ফরিদ শেখসহ সেখানে থাকা সব শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ওই কারখানার শ্রমিকেরা দিনের বেলায় ঘুমিয়ে থাকে এবং রাতে কারখানায় কাজ করতেন।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত এবং তাঁদের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং কাজ করছে। যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার ব্যাপারে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের অব্যাহত রয়েছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ

সৌদি আরবে আগুনে মৃত্যু: পরিচয় মিলেছে নওগাঁর ১৩ জনের

Update Time : ১১:১৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
নওগাঁ প্রতিনিধি: সৌদি আরবের রিয়াদের মানফুয়া এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকান্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁ জেলায়। নিহতদের মধ্যে ১২ জন আত্রাই ও একজন নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নিহতরা হলেন, আত্রাই উপজেলার সাদনগর গ্রামের সাগর (৩৮), খরস্রােতা গ্রামের মজিদুল (৩৪) ও আব্দুল জলিল (৪৮), উজানপৈ গ্রামের ফরিদ শেখ (৩২), ডুবাই গ্রামের সুমন (৩১) ও হাসিবুল হাসান শুভ (৩৭), কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের মহন প্রামাণিক (২২) ও তাঁর ছোট ভাই সুমন প্রামাণিক (১৬), একই গ্রামের রুবেল প্রামাণিক (৩০), কলিমুল্লাহ প্রামাণিক (৩৫), বোয়ালা গ্রামের হৃদয় (৩২), মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ (৩০) এবং নওগাঁ সদর উপজেলার নওগাঁ পৌরসভার পার-নওগাঁ এলাকার শাহিন (৩৮)।

নিহতদের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবের রিয়াদের মানফুয়া এলাকার একটি সোফা তৈরির কারখানায় নওগাঁর আত্রাই, সদর, নাটোরের নলডাঙ্গা ও রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বেশ কিছু শ্রমিক কাজ করতেন। গতকাল রোববার স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই কারখানায় আগুন লাগে। অগ্নিকা-ের ঘটনায় ওই কারখানার মধ্যে আটকে পড়া ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই ও সদর উপজেলায়। বাকি দুইজনের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় এবং একজনের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়।
সৌদির রিয়াদে থাকা অন্য বাংলাদেশি প্রবাসীদের বরাত দিয়ে ফরিদ শেখের চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকা-ের সময় ওই কারখানায় থাকা শ্রমিকেরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। কারখানার মূল ফটক বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। ঘুমন্ত অবস্থায় কারখানায় আগুন লাগায় ফরিদ শেখসহ সেখানে থাকা সব শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ওই কারখানার শ্রমিকেরা দিনের বেলায় ঘুমিয়ে থাকে এবং রাতে কারখানায় কাজ করতেন।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত এবং তাঁদের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং কাজ করছে। যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার ব্যাপারে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের অব্যাহত রয়েছে।