Dhaka ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ আব্বাসউদ্দীনের জন্মবার্ষিকীতে ভাওয়াইয়া আসর: ও মোর কালারে কালা পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ১১ ও হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু দিনাজপুরকে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা জিডি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, অপপ্রচারের অভিযোগ খেলতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক পলাতক তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা

গাইবান্ধার বোয়ালী ইউনিয়নের থানসিংহপুরে পৈত্রিক সম্পত্তির সমান ভাগ চাওয়ায় ভাতিজাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৮ Time View

 

স্টাফ রিপোর্টঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের থানসিংহপুর গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তির সমান ভাগ চাওয়ায় দীর্ঘদিন থেকে মনোমালিন্য এবং ঝগড়া-ঝাড়ি চলে আসছে।
একপর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করে আসছে প্রতিপক্ষ। এঘটনায় একাধিকবার গ্রাম্যসালিশ হলেও প্রতিকার পায়নি সুজন চন্দ্র বর্মন, ভাতিজা রাজিব কুমার বর্মন ও আপন কুমার বর্মন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মৃত পরমেশ^র চন্দ্র বমর্ণের ছেলে মৃত ধীরেন চন্দ্র বর্মন, সুপত চন্দ্র বর্মন, সুজন চন্দ্র বর্মন, সুমন চন্দ্র বর্মন, রাজন চন্দ্র বর্মন ও উত্তম কুমার বর্মন উক্ত সম্পত্তির মালিক।
কিন্তু সুজন চন্দ্র বর্মন, মৃত ধীরেন চন্দ্র বর্মনের ছেলে রাজিব কুমার বমর্ন ও আপন কুমার বর্মন উক্ত জমি দখল করতে গেলে সুপত চন্দ্র বর্মন, সুমন চন্দ্র বর্মন, রাজন চন্দ্র বর্মন ও উত্তম কুমার বর্মন বাধা প্রদান করেন এবং জীবন নাশের হুমদি দিচ্ছেন।
বিগত ৩ জুলাই ২০১৯ সালে পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ মৃত বরণ করলে ওয়ারিশ সূত্রে তার ছেলেরা উক্ত সম্পত্তির মালিক হন। কিন্তু পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি ছেলেদেরকে বসতবাড়ী করার জন্য নিজ বাড়ীতেই ঘরদজা তুলে বসবাস করতে থাকেন।
পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ মৃতুর কিছুদিন পর তার বড় ছেলে ধীরেন চন্দ্র বর্মনও মৃত্যু বরণ করেন। জীবিত থাকা অবস্থায় উক্ত সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা হয়নি যৌথভাবে থাকার কারণে।
পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ জীবিত অবস্থায় তার বড় ছেলে ধীরেন চন্দ্র বর্মন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে সে বাবার কাছ থেকে ৮শতাংশ জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করান। সেই সুযোগে অন্যান্য ৫ ছেলেরা ১৬ শতাংশ জমি লিখে নেন বাবার কাছে। কিন্তু ধীরেন চন্দ্র বর্মন দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকায় বাকী ৮ শতাংশ জমি লিখে নিতে পারেননি বাবার কাছ থেকে। গত ৩ জুলাই ২০১৯ সালে পরমেশ^র চন্দ্র বর্মন মৃত্যুবরণ করেন এবং তার বড় ছেলে ধীরেন চন্দ্র বর্মনও ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যু বরণ করেন। সম্পত্তির বাকী ৮ শতাংশ জমি অন্য্যান্য ছেলে ভাগ করে নেন সুজন চন্দ্র বর্মন ব্যাতিত।
কিন্তু সমানভাবে সম্পত্তিগুলো ভাগ না হওয়ায় সুমন চন্দ্র বর্মন ও রাজন চন্দ্র বর্মন রাস্তার ধারে জায়গা বেশি ভোগ দখল করছেন।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে সুজন চন্দ্র বর্মন, ভাতিজা রাজিব কুমার বমর্ন ও আপন কুমার বর্মন উক্ত সম্পত্তি দখল করতে গেলে প্রতিপক্ষগণ বাধা প্রদান করে এবং বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়।
এঘটনায় সুজন চন্দ্র বর্মন, মৃত ধীরেন চন্দ্র বর্মনের ছেলে রাজিব কুমার বমর্ন ও আপন কুমার বর্মন উক্ত সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা করে সমান সমান দখল চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

kartick kartick

Popular Post

সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ

গাইবান্ধার বোয়ালী ইউনিয়নের থানসিংহপুরে পৈত্রিক সম্পত্তির সমান ভাগ চাওয়ায় ভাতিজাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি

Update Time : ১০:৩০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

স্টাফ রিপোর্টঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের থানসিংহপুর গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তির সমান ভাগ চাওয়ায় দীর্ঘদিন থেকে মনোমালিন্য এবং ঝগড়া-ঝাড়ি চলে আসছে।
একপর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করে আসছে প্রতিপক্ষ। এঘটনায় একাধিকবার গ্রাম্যসালিশ হলেও প্রতিকার পায়নি সুজন চন্দ্র বর্মন, ভাতিজা রাজিব কুমার বর্মন ও আপন কুমার বর্মন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মৃত পরমেশ^র চন্দ্র বমর্ণের ছেলে মৃত ধীরেন চন্দ্র বর্মন, সুপত চন্দ্র বর্মন, সুজন চন্দ্র বর্মন, সুমন চন্দ্র বর্মন, রাজন চন্দ্র বর্মন ও উত্তম কুমার বর্মন উক্ত সম্পত্তির মালিক।
কিন্তু সুজন চন্দ্র বর্মন, মৃত ধীরেন চন্দ্র বর্মনের ছেলে রাজিব কুমার বমর্ন ও আপন কুমার বর্মন উক্ত জমি দখল করতে গেলে সুপত চন্দ্র বর্মন, সুমন চন্দ্র বর্মন, রাজন চন্দ্র বর্মন ও উত্তম কুমার বর্মন বাধা প্রদান করেন এবং জীবন নাশের হুমদি দিচ্ছেন।
বিগত ৩ জুলাই ২০১৯ সালে পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ মৃত বরণ করলে ওয়ারিশ সূত্রে তার ছেলেরা উক্ত সম্পত্তির মালিক হন। কিন্তু পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি ছেলেদেরকে বসতবাড়ী করার জন্য নিজ বাড়ীতেই ঘরদজা তুলে বসবাস করতে থাকেন।
পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ মৃতুর কিছুদিন পর তার বড় ছেলে ধীরেন চন্দ্র বর্মনও মৃত্যু বরণ করেন। জীবিত থাকা অবস্থায় উক্ত সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা হয়নি যৌথভাবে থাকার কারণে।
পরমেশ^র চন্দ্র বর্মণ জীবিত অবস্থায় তার বড় ছেলে ধীরেন চন্দ্র বর্মন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে সে বাবার কাছ থেকে ৮শতাংশ জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করান। সেই সুযোগে অন্যান্য ৫ ছেলেরা ১৬ শতাংশ জমি লিখে নেন বাবার কাছে। কিন্তু ধীরেন চন্দ্র বর্মন দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকায় বাকী ৮ শতাংশ জমি লিখে নিতে পারেননি বাবার কাছ থেকে। গত ৩ জুলাই ২০১৯ সালে পরমেশ^র চন্দ্র বর্মন মৃত্যুবরণ করেন এবং তার বড় ছেলে ধীরেন চন্দ্র বর্মনও ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যু বরণ করেন। সম্পত্তির বাকী ৮ শতাংশ জমি অন্য্যান্য ছেলে ভাগ করে নেন সুজন চন্দ্র বর্মন ব্যাতিত।
কিন্তু সমানভাবে সম্পত্তিগুলো ভাগ না হওয়ায় সুমন চন্দ্র বর্মন ও রাজন চন্দ্র বর্মন রাস্তার ধারে জায়গা বেশি ভোগ দখল করছেন।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে সুজন চন্দ্র বর্মন, ভাতিজা রাজিব কুমার বমর্ন ও আপন কুমার বর্মন উক্ত সম্পত্তি দখল করতে গেলে প্রতিপক্ষগণ বাধা প্রদান করে এবং বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়।
এঘটনায় সুজন চন্দ্র বর্মন, মৃত ধীরেন চন্দ্র বর্মনের ছেলে রাজিব কুমার বমর্ন ও আপন কুমার বর্মন উক্ত সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা করে সমান সমান দখল চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।