
নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরলস পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ আর মানবিক নেতৃত্বের এক অনন্য উদাহরণ শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স । ইলেকট্রনিক ডাটা ট্র্যাকিংসহ জনসংখ্যাভিত্তিক জরায়ু-মুখ ও স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচিতে ২০২৬ সালে সিলেট বিভাগের জেলা ভিত্তিক সেরা স্ক্রিনিং পারফরম্যান্স অর্জন করেছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সিলেট এম এজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচির স্বীকৃতিপত্রে স্বাক্ষর করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পিএইচসি) ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেসা এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।
এই অর্জনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত সুপরিকল্পিত ও মাঠমুখী উদ্যোগের কারণে ক্যান্সার স্ক্রিনিং সেবা শুধু হাসপাতালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, পৌঁছে গেছে প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাতেও।
স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে নারীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন স্ক্রিনিং সেবা। সচেতনতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে নিয়মিত স্ক্রিনিং কার্যক্রম পরিচালনায় ছিল আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার স্পষ্ট ছাপ।
ডা. সিনথিয়া তাসমিন বলেন, “জরায়ু-মুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করেছি যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীরাও এই সেবা থেকে বঞ্চিত না হন। প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে মাঠপর্যায়ে যারা কাজ করেছেন, এই অর্জন মূলত তাঁদের সম্মিলিত পরিশ্রম ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি।”
তিনি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই শ্রীমঙ্গল পেয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি।

Reporter Name 










