Dhaka ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মা আমি বেঁচে আছি: ইউক্রেনের বন্দী শিবির থেকে ভেসে এলে গাইবান্ধার রিমেলের কণ্ঠ পীরগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু কোরআন অবমাননার দায়ে সাদুল্লাপুরে আবু হানিফ নামে এক যুবক গ্রেপ্তার মেঘদূতের বর্ষার আয়োজন: আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে  জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধায় জামায়াতের বিক্ষোভ  পর্নোগ্রাফির অভিযোগে গেবিন্দগঞ্জে নারীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার পল্লীগীতির কণ্ঠশিল্পী আব্দুল আলীমের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় ‘শোন গো রূপসী কন্যা’ বগুড়ায় বিয়ের গেটে বকশিশের টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৩ নেপালে ধর্মীয় সহিংসতায় নিহত-৩, আহত-২৫, কারফিউ জারি খোলা বাজারে সরকারি বীজ বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড

যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৯৬ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আকাশপথ আবার খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। এখন থেকে ইউএইর আকাশসীমায় সব ধরনের ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ইউএই জানায়—নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দুবাই ও আবুধাবির জন্য বড় স্বস্তি। বিশেষ করে দুবাই, যেখানে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এই দুই হাবে নানা বিধিনিষেধ চালু ছিল।

সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশ আকাশসীমা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে শুধু বিমান চলাচলই নয়, পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ে এবং ইউরোপ-এশিয়ার দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটগুলোতে রুট সংকট তৈরি হয়।

তখন ইউএইসহ অন্তত আটটি দেশ আকাশসীমা বন্ধ করেছিল—এর মধ্যে ছিল ইরাক, জর্ডান, কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত। এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই ও ইতিহাদের মতো বড় এয়ারলাইনগুলোও সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ রাখে।

তথ্য বলছে, সংঘাতের শুরুর দিকে অঞ্চলজুড়ে ১১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল। তবে মার্চে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ১ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত আংশিক চালু থাকাকালে ইউএই বিমানবন্দরগুলোতে ১৪ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন এবং ৭,৮৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়—যা স্বাভাবিকের ৪৪.৬%।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়, আর তারই ধারাবাহিকতায় এলো পুরোপুরি আকাশপথ চালুর ঘোষণা।
এদিকে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের বিমান খাত। কাতার এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, ১০ মে থেকে তারা ইরাকের তিনটি শহরে আবার ফ্লাইট চালু করবে। পাশাপাশি জুনের মাঝামাঝি থেকে ছয় মহাদেশে ১৫০টির বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মা আমি বেঁচে আছি: ইউক্রেনের বন্দী শিবির থেকে ভেসে এলে গাইবান্ধার রিমেলের কণ্ঠ

যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত

Update Time : ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আকাশপথ আবার খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। এখন থেকে ইউএইর আকাশসীমায় সব ধরনের ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ইউএই জানায়—নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দুবাই ও আবুধাবির জন্য বড় স্বস্তি। বিশেষ করে দুবাই, যেখানে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এই দুই হাবে নানা বিধিনিষেধ চালু ছিল।

সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশ আকাশসীমা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে শুধু বিমান চলাচলই নয়, পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ে এবং ইউরোপ-এশিয়ার দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটগুলোতে রুট সংকট তৈরি হয়।

তখন ইউএইসহ অন্তত আটটি দেশ আকাশসীমা বন্ধ করেছিল—এর মধ্যে ছিল ইরাক, জর্ডান, কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত। এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই ও ইতিহাদের মতো বড় এয়ারলাইনগুলোও সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ রাখে।

তথ্য বলছে, সংঘাতের শুরুর দিকে অঞ্চলজুড়ে ১১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল। তবে মার্চে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ১ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত আংশিক চালু থাকাকালে ইউএই বিমানবন্দরগুলোতে ১৪ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন এবং ৭,৮৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়—যা স্বাভাবিকের ৪৪.৬%।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়, আর তারই ধারাবাহিকতায় এলো পুরোপুরি আকাশপথ চালুর ঘোষণা।
এদিকে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের বিমান খাত। কাতার এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, ১০ মে থেকে তারা ইরাকের তিনটি শহরে আবার ফ্লাইট চালু করবে। পাশাপাশি জুনের মাঝামাঝি থেকে ছয় মহাদেশে ১৫০টির বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।