Dhaka ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৭৬০টি গাছের চারা বিতরণ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার সুন্দরগঞ্জে চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক সুন্দরগঞ্জে ৪ মিনিটে ৩ ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক তরুণ ও প্রবীণ ওলামায়ে কেরামের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল ৩২ বছরের পুরোনো এক্স-রে মেশিনে চলছে চিকিৎসা, রোগীদের চরম ভোগান্তি এ কেমন অমানুষের দেশ!’: শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে কাঠগড়ায় সমাজ ও রাষ্ট্র! উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার

যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ১০৯ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আকাশপথ আবার খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। এখন থেকে ইউএইর আকাশসীমায় সব ধরনের ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ইউএই জানায়—নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দুবাই ও আবুধাবির জন্য বড় স্বস্তি। বিশেষ করে দুবাই, যেখানে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এই দুই হাবে নানা বিধিনিষেধ চালু ছিল।

সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশ আকাশসীমা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে শুধু বিমান চলাচলই নয়, পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ে এবং ইউরোপ-এশিয়ার দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটগুলোতে রুট সংকট তৈরি হয়।

তখন ইউএইসহ অন্তত আটটি দেশ আকাশসীমা বন্ধ করেছিল—এর মধ্যে ছিল ইরাক, জর্ডান, কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত। এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই ও ইতিহাদের মতো বড় এয়ারলাইনগুলোও সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ রাখে।

তথ্য বলছে, সংঘাতের শুরুর দিকে অঞ্চলজুড়ে ১১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল। তবে মার্চে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ১ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত আংশিক চালু থাকাকালে ইউএই বিমানবন্দরগুলোতে ১৪ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন এবং ৭,৮৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়—যা স্বাভাবিকের ৪৪.৬%।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়, আর তারই ধারাবাহিকতায় এলো পুরোপুরি আকাশপথ চালুর ঘোষণা।
এদিকে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের বিমান খাত। কাতার এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, ১০ মে থেকে তারা ইরাকের তিনটি শহরে আবার ফ্লাইট চালু করবে। পাশাপাশি জুনের মাঝামাঝি থেকে ছয় মহাদেশে ১৫০টির বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গাইবান্ধায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৭৬০টি গাছের চারা বিতরণ

যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত

Update Time : ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আকাশপথ আবার খুলে দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। এখন থেকে ইউএইর আকাশসীমায় সব ধরনের ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ইউএই জানায়—নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দুবাই ও আবুধাবির জন্য বড় স্বস্তি। বিশেষ করে দুবাই, যেখানে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এই দুই হাবে নানা বিধিনিষেধ চালু ছিল।

সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশ আকাশসীমা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে শুধু বিমান চলাচলই নয়, পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ে এবং ইউরোপ-এশিয়ার দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটগুলোতে রুট সংকট তৈরি হয়।

তখন ইউএইসহ অন্তত আটটি দেশ আকাশসীমা বন্ধ করেছিল—এর মধ্যে ছিল ইরাক, জর্ডান, কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত। এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই ও ইতিহাদের মতো বড় এয়ারলাইনগুলোও সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ রাখে।

তথ্য বলছে, সংঘাতের শুরুর দিকে অঞ্চলজুড়ে ১১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল। তবে মার্চে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ১ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত আংশিক চালু থাকাকালে ইউএই বিমানবন্দরগুলোতে ১৪ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন এবং ৭,৮৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়—যা স্বাভাবিকের ৪৪.৬%।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়, আর তারই ধারাবাহিকতায় এলো পুরোপুরি আকাশপথ চালুর ঘোষণা।
এদিকে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের বিমান খাত। কাতার এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, ১০ মে থেকে তারা ইরাকের তিনটি শহরে আবার ফ্লাইট চালু করবে। পাশাপাশি জুনের মাঝামাঝি থেকে ছয় মহাদেশে ১৫০টির বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।