Dhaka ০৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা ও বিদেশীদের নামে ভুয়া জন্ম সনদ বিক্রির অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ Time View

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ৮ নং মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদে রোহিঙ্গা নাগরিক সহ বিভিন্ন দেশের বিদেশী নাগরিকদের নামে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে শতাধিক জন্ম সনদ ইস্যু করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রায়হান ফিরোজ ও হিসাব সহকারী মোছাঃ মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগকারী ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল বারী মন্ডল বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযাগ দাখিল করেন।২০ জুলাই দায়ের করা অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন,অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে মনোহরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের স্থায়ী ঠিকানা দেখিয়ে প্রায় শতাধিক জন্ম সনদের আবেদন গ্রহণ ও সনদ ইস্যু করেছেন।

অভিযোগপত্রে ৮টি জন্ম সনদের নমুনা তুলে ধরা হয়। যেখানে গৌতম বড়ুয়া, ইয়েইন আহসান আল জায়েদ, ইগ্লেসিয়াস কস্তা, আলফন্স ডি রোজারিও, জিটনা ত্রিপুরা, এলমিনা সুজি মেরি আল জায়েদ, জেহেরিশ গণি মেহেক এর মতো বিদেশী নামে স্থানীয় ঠিকানা ব্যবহার করে জন্ম সনদ ইস্যু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এমনকি একই নামে একাধিক জন্ম সনদ ইস্যুর প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এভাবে ভুয়া জন্ম সনদ ইস্যু করার ফলে রাষ্ট্রের বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে বৈধতা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া দেশের জন্য হুমকি স্বরূপ।এ বিষয়ে অভিযোগকারী দ্রুত ৮ নং মনোহরপুর ইউনিয়ন থেকে ইস্যুকৃত সকল জন্ম সনদ যাচাই-বাছাই করে ভুয়া সনদ বাতিল এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তার মোঃ রায়হান ফিরোজ ও হিসাব সহকারী মোছাঃ মাহমুদা বেগমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব প্রধান রিপনের সাথে কথা তিনি জানান,অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে প্রমান মিললে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুঠোফোনে বলেন “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রোহিঙ্গা ও বিদেশীদের নামে ভুয়া জন্ম সনদ বিক্রির অভিযোগ

Update Time : ০৩:২১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ৮ নং মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদে রোহিঙ্গা নাগরিক সহ বিভিন্ন দেশের বিদেশী নাগরিকদের নামে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে শতাধিক জন্ম সনদ ইস্যু করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রায়হান ফিরোজ ও হিসাব সহকারী মোছাঃ মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগকারী ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল বারী মন্ডল বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযাগ দাখিল করেন।২০ জুলাই দায়ের করা অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন,অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে মনোহরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের স্থায়ী ঠিকানা দেখিয়ে প্রায় শতাধিক জন্ম সনদের আবেদন গ্রহণ ও সনদ ইস্যু করেছেন।

অভিযোগপত্রে ৮টি জন্ম সনদের নমুনা তুলে ধরা হয়। যেখানে গৌতম বড়ুয়া, ইয়েইন আহসান আল জায়েদ, ইগ্লেসিয়াস কস্তা, আলফন্স ডি রোজারিও, জিটনা ত্রিপুরা, এলমিনা সুজি মেরি আল জায়েদ, জেহেরিশ গণি মেহেক এর মতো বিদেশী নামে স্থানীয় ঠিকানা ব্যবহার করে জন্ম সনদ ইস্যু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এমনকি একই নামে একাধিক জন্ম সনদ ইস্যুর প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এভাবে ভুয়া জন্ম সনদ ইস্যু করার ফলে রাষ্ট্রের বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে বৈধতা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া দেশের জন্য হুমকি স্বরূপ।এ বিষয়ে অভিযোগকারী দ্রুত ৮ নং মনোহরপুর ইউনিয়ন থেকে ইস্যুকৃত সকল জন্ম সনদ যাচাই-বাছাই করে ভুয়া সনদ বাতিল এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তার মোঃ রায়হান ফিরোজ ও হিসাব সহকারী মোছাঃ মাহমুদা বেগমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব প্রধান রিপনের সাথে কথা তিনি জানান,অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে প্রমান মিললে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুঠোফোনে বলেন “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।