
আবু তাহের, স্টাফ রিপোর্টার:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে পূর্ববিরোধের জেরে শাপলা বেগম নামের এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বেড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় কয়েকজনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শাপলা বেগম অভিযোগ করেন, গত ২৬ মার্চ সকালে ৩০-৩৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, হামলা ও এলোপাতাড়ি ভাঙচুর চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ সময় বাধা দিলে তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েকে মারধর করা হয়। হামলাকারীরা মেয়ের গলার স্বর্ণের চেইন, হাতের আংটি ও স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া শাপলা বেগমকেও মারধর করে তার গলার চেইন ছিনতাই ও শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দুর্বৃত্তরা শয়নকক্ষে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ৮ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১০ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা শাপলা বেগমের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আহত ওই নারী ইউপি সদস্য ও তার মেয়েকে উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শাপলা বেগম জানান, থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও বর্তমানে তারা চরম আতঙ্ক ও অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাকরির জন্য টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আবু হানিফ তুহিনের পরিবারের সঙ্গে শাপলা বেগমের বিরোধের সূত্রপাত। এই বিরোধের জের ধরেই প্রতিপক্ষের ওই ব্যক্তির নেতৃত্বে ইউপি সদস্যের বাড়িতে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে জানতে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

Reporter Name 












