Dhaka ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ওয়াশিংটনে ভয়াবহ দাবানল: সরিয়ে নেয়া হয়েছে ৬০ হাজার মানুষকে, পুড়ে গেছে ৬শ’ স্থাপনা বালাসীঘাটে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে সমাবেশ: ২ দফা কর্মসূচি ঘোষণা বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ রৌমারীতে বিজিবির অভিযানে প্রায় ২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১ বাড়ির আঙিনায় ১২ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছ, গ্রেপ্তার ১ হাসতে চায় রিহান, বাঁচতে চায় আরেকটু ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত অন্তত ২০ রৌমারীতে বিজিবির অভিযানে ১,৯৭৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ মা আমি বেঁচে আছি: ইউক্রেনের বন্দী শিবির থেকে ভেসে এলে গাইবান্ধার রিমেলের কণ্ঠ পীরগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু

ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন ও অভিবাসী শ্রমিকদের সামাজিক-অর্থনৈতিক পুনর্বাসন বিষয়ক প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের আয়োজনে এডব্লিউও ইন্টারন্যাশনাল ও বিএমজেড এর সহযোগিতায় প্রাইম প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।

বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারজান সরকার, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তাজমিনা আকতার, গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদ, উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কাবিল উদ্দিন, ফুলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল আমিন এবং প্রাইম প্রকল্পের প্রকল্প ম্যানেজার মামুনুর রশীদ প্রমুখ। সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় এনজিও প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য ও সচেতনতা থাকলে অনেক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তারা বলেন, গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কারণে অনেক মানুষ ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদেশে পাড়ি জমায়। ফলে অনেক সময় তারা প্রতারণা ও মানবপাচারের শিকার হন। এসব সমস্যা মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি জরুরি।

প্রাইম প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা উন্নয়ন এবং অভিবাসন শেষে ফিরে আসা ব্যক্তিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়াশিংটনে ভয়াবহ দাবানল: সরিয়ে নেয়া হয়েছে ৬০ হাজার মানুষকে, পুড়ে গেছে ৬শ’ স্থাপনা

ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

Update Time : ০৪:০৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন ও অভিবাসী শ্রমিকদের সামাজিক-অর্থনৈতিক পুনর্বাসন বিষয়ক প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের আয়োজনে এডব্লিউও ইন্টারন্যাশনাল ও বিএমজেড এর সহযোগিতায় প্রাইম প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।

বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারজান সরকার, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তাজমিনা আকতার, গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদ, উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কাবিল উদ্দিন, ফুলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল আমিন এবং প্রাইম প্রকল্পের প্রকল্প ম্যানেজার মামুনুর রশীদ প্রমুখ। সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় এনজিও প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য ও সচেতনতা থাকলে অনেক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তারা বলেন, গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কারণে অনেক মানুষ ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদেশে পাড়ি জমায়। ফলে অনেক সময় তারা প্রতারণা ও মানবপাচারের শিকার হন। এসব সমস্যা মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি জরুরি।

প্রাইম প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা উন্নয়ন এবং অভিবাসন শেষে ফিরে আসা ব্যক্তিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।