Dhaka ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
লোকালয়ে শিয়ালের হানা, শিশু-নারীসহ আহত ৯ জন বিশ্বব্যাংক, সরকার ও ডব্লিউএফপির প্রতিনিধিদলের জিইউকে এর প্রকল্প পরিদর্শন গাইবান্ধায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৭৬০টি গাছের চারা বিতরণ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার সুন্দরগঞ্জে চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক সুন্দরগঞ্জে ৪ মিনিটে ৩ ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক তরুণ ও প্রবীণ ওলামায়ে কেরামের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল ৩২ বছরের পুরোনো এক্স-রে মেশিনে চলছে চিকিৎসা, রোগীদের চরম ভোগান্তি

ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন ও অভিবাসী শ্রমিকদের সামাজিক-অর্থনৈতিক পুনর্বাসন বিষয়ক প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের আয়োজনে এডব্লিউও ইন্টারন্যাশনাল ও বিএমজেড এর সহযোগিতায় প্রাইম প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।

বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারজান সরকার, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তাজমিনা আকতার, গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদ, উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কাবিল উদ্দিন, ফুলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল আমিন এবং প্রাইম প্রকল্পের প্রকল্প ম্যানেজার মামুনুর রশীদ প্রমুখ। সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় এনজিও প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য ও সচেতনতা থাকলে অনেক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তারা বলেন, গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কারণে অনেক মানুষ ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদেশে পাড়ি জমায়। ফলে অনেক সময় তারা প্রতারণা ও মানবপাচারের শিকার হন। এসব সমস্যা মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি জরুরি।

প্রাইম প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা উন্নয়ন এবং অভিবাসন শেষে ফিরে আসা ব্যক্তিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

লোকালয়ে শিয়ালের হানা, শিশু-নারীসহ আহত ৯ জন

ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

Update Time : ০৪:০৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে নিরাপদ অভিবাসন ও অভিবাসী শ্রমিকদের সামাজিক-অর্থনৈতিক পুনর্বাসন বিষয়ক প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের আয়োজনে এডব্লিউও ইন্টারন্যাশনাল ও বিএমজেড এর সহযোগিতায় প্রাইম প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।

বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারজান সরকার, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তাজমিনা আকতার, গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদ, উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কাবিল উদ্দিন, ফুলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল আমিন এবং প্রাইম প্রকল্পের প্রকল্প ম্যানেজার মামুনুর রশীদ প্রমুখ। সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় এনজিও প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য ও সচেতনতা থাকলে অনেক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তারা বলেন, গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কারণে অনেক মানুষ ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদেশে পাড়ি জমায়। ফলে অনেক সময় তারা প্রতারণা ও মানবপাচারের শিকার হন। এসব সমস্যা মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি জরুরি।

প্রাইম প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা উন্নয়ন এবং অভিবাসন শেষে ফিরে আসা ব্যক্তিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।