Dhaka ০১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বামনডাঙ্গা জনতা ব্যাংকে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ গাইবান্ধায় টেলিভিশন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোবিন্দগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির জালে জব্বার সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ আব্বাসউদ্দীনের জন্মবার্ষিকীতে ভাওয়াইয়া আসর: ও মোর কালারে কালা পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ১১ ও হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু দিনাজপুরকে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

সাদুল্লাপুরে আলুর বাম্পার ফলন দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • ১৭৯ Time View

সাদুল্লাপুর সংবাদদাতাঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছর আলুর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা উৎসাহী হয়ে এবার বেশি জমিতে আলু চাষ করেছিলেন। ফলনও বেশি হবে বলে আশা করেছিলেন। সে অনুযায়ী আলু চাষে বাম্পার ফলনও হয়েছে। তবে আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা দাম নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় তারা আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। সাদুল্লাপুরে ধাপেরহাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে পাকরি, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল আলু খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে,১৫ টাকা কেজিতে। অথচ কৃষকের আলু চাষে এর চেয়ে খরচ পড়েছে বেশি। নিজ পাড়ার কৃষক আমিনুল বলেন, এবার আমি পাঁচ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। সব মিলিয়ে বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকার মতো। গত বছর একই জমিতে খরচ হয়েছিল ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার মতো। সার, কীটনাশক ও জমির লিজ মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এবং বাজারে আলুর দাম কম থাকায় ক্ষতির আশঙ্কায় আছি। আরেক কৃষক লাজু বলেন, এবার বীজ সংকটের কারণে বেশি দামে বীজ কিনেছি। সারের দামও বেশি। যদিও বাম্পার ফলন হয়েছে তবুও লেট ব্লাইট রোগের কারণে বাড়তি খরচ করতে হয়েছে আমাদের। কীটনাশক ব্যবহারের পরও এই রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুরে চলতি বছর ২ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আলুচাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে চাষ হয়েছে, ২ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে।
সাদুল্লাপুর উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মাহাবুবুল আলম বসুনিয়া বলেন, আগের বছরের তুলনায় এবার কৃষক স্বপ্রনোদিতভাবে আলু উৎপাদন করেছে এবং ফলন ও ভাল হয়েছে। কৃষকদের সতর্ক করতে নানাভাবে পরামর্শ দেয়া হয়েছে আর উৎপাদন বাড়লে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দাম একটু কম থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

kartick kartick

Popular Post

বামনডাঙ্গা জনতা ব্যাংকে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ

সাদুল্লাপুরে আলুর বাম্পার ফলন দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

Update Time : ০৬:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

সাদুল্লাপুর সংবাদদাতাঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছর আলুর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা উৎসাহী হয়ে এবার বেশি জমিতে আলু চাষ করেছিলেন। ফলনও বেশি হবে বলে আশা করেছিলেন। সে অনুযায়ী আলু চাষে বাম্পার ফলনও হয়েছে। তবে আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা দাম নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় তারা আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। সাদুল্লাপুরে ধাপেরহাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে পাকরি, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল আলু খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে,১৫ টাকা কেজিতে। অথচ কৃষকের আলু চাষে এর চেয়ে খরচ পড়েছে বেশি। নিজ পাড়ার কৃষক আমিনুল বলেন, এবার আমি পাঁচ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। সব মিলিয়ে বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকার মতো। গত বছর একই জমিতে খরচ হয়েছিল ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার মতো। সার, কীটনাশক ও জমির লিজ মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এবং বাজারে আলুর দাম কম থাকায় ক্ষতির আশঙ্কায় আছি। আরেক কৃষক লাজু বলেন, এবার বীজ সংকটের কারণে বেশি দামে বীজ কিনেছি। সারের দামও বেশি। যদিও বাম্পার ফলন হয়েছে তবুও লেট ব্লাইট রোগের কারণে বাড়তি খরচ করতে হয়েছে আমাদের। কীটনাশক ব্যবহারের পরও এই রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুরে চলতি বছর ২ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আলুচাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে চাষ হয়েছে, ২ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে।
সাদুল্লাপুর উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মাহাবুবুল আলম বসুনিয়া বলেন, আগের বছরের তুলনায় এবার কৃষক স্বপ্রনোদিতভাবে আলু উৎপাদন করেছে এবং ফলন ও ভাল হয়েছে। কৃষকদের সতর্ক করতে নানাভাবে পরামর্শ দেয়া হয়েছে আর উৎপাদন বাড়লে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দাম একটু কম থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।