Dhaka ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
 ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির জালে জব্বার সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ আব্বাসউদ্দীনের জন্মবার্ষিকীতে ভাওয়াইয়া আসর: ও মোর কালারে কালা পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ১১ ও হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু দিনাজপুরকে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা জিডি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, অপপ্রচারের অভিযোগ খেলতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক পলাতক

সুন্দরগঞ্জে প্রাইমারিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক রানা কারাগারে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ১২৮ Time View

স্টাফ রিপোর্টঃ প্রাইমারিতে চাকরির দেওয়ার কথা বলে ১১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের মুল হোতা রানার জামিন নামুঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করছে আদালত।
গতকাল বুধবার ২৩ এপ্রিল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুন্দরগঞ্জ আদালত ও আমলি আদালত সুন্দরগঞ্জ, আদালতে জামিনের প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ বিচারক জান্নাতুল ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ মার্চ সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় প্রাইমারিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগ মামলা করেন ভুক্তভোগী শাহনাজ পারভিন। যার মামলা নম্বর ৩০/২৫।
মামলা সুত্র জানা গেছে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুবর্নদহ গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন গত ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিকে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ (গ্রুপ-১) পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। যার রোল নং ৩৭২০৯৩৪। এতে অকৃতকার্য হন শাহনাজ পারভীন।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পরাণ গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী চাঁদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাহমুদা বেগমের সাথে শাহনাজ পারভীনের স্বামীর পরিবারের আত্নীয়তার সম্পর্ক থাকায় তাদের বাড়ীতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন।
সেই সুবাদে মাহমুদা বেগম ও তার ভাই রানা মিয়া চাকুরী প্রত্যাশী শাহনাজ পারভীনের বাড়ীতে আসে এবং চাকুরী নিয়ে দিতে পারবে বলে নানা অভিমত ব্যক্ত করেন।
এসময় তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক ও গনশিক্ষা অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে ভালো সম্পর্কেরও কথা বলেন এবং চাকুরী বাবদ মোট ১২ লাখ টাকা চাঁন। সেসময় তাদের কথা বিশ্বাস করে শাহনাজ পারভীনের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদী ও নগদ ১০ লাখ টাকা তাদের হাতে প্রদান করেন।
কিছুদিন পর রানা মিয়া ০১৩০৩৯৮৯০৬৫ নম্বর মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) মাধ্যমে ১ লাখ ৪০ হাজার পাঁচশ টাকা নেন। পরে সহকারী শিক্ষিকা মাহমুদা বেগম ও তার ভাই রানা মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র চুড়ান্ত হয়েছে, বাকি ৬০ হাজার টাকা দ্রুত পরিশোধ করলে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে।
তাদের এমন কথায় শাহনাজ পারভীনের পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা টাকা ফেরত চাইলে নানা রকম ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে মাহমুদা ও তার ভাই রানা মিয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

kartick kartick

Popular Post

 ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির জালে জব্বার

সুন্দরগঞ্জে প্রাইমারিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক রানা কারাগারে

Update Time : ০৯:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টঃ প্রাইমারিতে চাকরির দেওয়ার কথা বলে ১১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের মুল হোতা রানার জামিন নামুঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করছে আদালত।
গতকাল বুধবার ২৩ এপ্রিল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুন্দরগঞ্জ আদালত ও আমলি আদালত সুন্দরগঞ্জ, আদালতে জামিনের প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ বিচারক জান্নাতুল ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ মার্চ সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় প্রাইমারিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগ মামলা করেন ভুক্তভোগী শাহনাজ পারভিন। যার মামলা নম্বর ৩০/২৫।
মামলা সুত্র জানা গেছে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুবর্নদহ গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন গত ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিকে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ (গ্রুপ-১) পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। যার রোল নং ৩৭২০৯৩৪। এতে অকৃতকার্য হন শাহনাজ পারভীন।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পরাণ গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী চাঁদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাহমুদা বেগমের সাথে শাহনাজ পারভীনের স্বামীর পরিবারের আত্নীয়তার সম্পর্ক থাকায় তাদের বাড়ীতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন।
সেই সুবাদে মাহমুদা বেগম ও তার ভাই রানা মিয়া চাকুরী প্রত্যাশী শাহনাজ পারভীনের বাড়ীতে আসে এবং চাকুরী নিয়ে দিতে পারবে বলে নানা অভিমত ব্যক্ত করেন।
এসময় তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক ও গনশিক্ষা অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে ভালো সম্পর্কেরও কথা বলেন এবং চাকুরী বাবদ মোট ১২ লাখ টাকা চাঁন। সেসময় তাদের কথা বিশ্বাস করে শাহনাজ পারভীনের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদী ও নগদ ১০ লাখ টাকা তাদের হাতে প্রদান করেন।
কিছুদিন পর রানা মিয়া ০১৩০৩৯৮৯০৬৫ নম্বর মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) মাধ্যমে ১ লাখ ৪০ হাজার পাঁচশ টাকা নেন। পরে সহকারী শিক্ষিকা মাহমুদা বেগম ও তার ভাই রানা মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র চুড়ান্ত হয়েছে, বাকি ৬০ হাজার টাকা দ্রুত পরিশোধ করলে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে।
তাদের এমন কথায় শাহনাজ পারভীনের পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা টাকা ফেরত চাইলে নানা রকম ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে মাহমুদা ও তার ভাই রানা মিয়া।