Dhaka ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জে আকস্মিক ভারি বর্ষণ, পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের আলুক্ষেত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ নামা ভারি বর্ষণে তলিয়ে গেছে শত শত কৃষকের স্বপ্নের আলুক্ষেত।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে এই আকস্মিক বৃষ্টিপাতে উপজেলার শাখাহার ও রাজাহার ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ আলুক্ষেত পানির নিচে চলে যায়। এতে চরম দুশ্চিন্তা ও লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে আলুর ফলন বেশ ভালো হয়েছিল। অনেক চাষিই দু-একদিনের মধ্যে জমি থেকে আলু তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু ভোরের কয়েক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে মাঠের নিচু এলাকায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়।
দ্রুত এই পানি নিষ্কাশন করা না গেলে জমিতেই আলু পচে নষ্ট হয়ে যাবে।

ভুক্তভোগী কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কিংবা ধারদেনা করে এবার আলুর আবাদ করেছেন। ফসল নষ্ট হলে কেবল বিনিয়োগ নয়, বরং ঋণের বোঝা বইতে গিয়ে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মক সংকটে পড়বে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দ্রুত জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। তারা জানান, এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জমি থেকে পানি সরানো। অন্যথায় দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ মুহূর্তেই বিলীন হয়ে যাবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গোবিন্দগঞ্জে আকস্মিক ভারি বর্ষণ, পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের আলুক্ষেত

Update Time : ১১:০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ নামা ভারি বর্ষণে তলিয়ে গেছে শত শত কৃষকের স্বপ্নের আলুক্ষেত।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে এই আকস্মিক বৃষ্টিপাতে উপজেলার শাখাহার ও রাজাহার ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ আলুক্ষেত পানির নিচে চলে যায়। এতে চরম দুশ্চিন্তা ও লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে আলুর ফলন বেশ ভালো হয়েছিল। অনেক চাষিই দু-একদিনের মধ্যে জমি থেকে আলু তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু ভোরের কয়েক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে মাঠের নিচু এলাকায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়।
দ্রুত এই পানি নিষ্কাশন করা না গেলে জমিতেই আলু পচে নষ্ট হয়ে যাবে।

ভুক্তভোগী কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কিংবা ধারদেনা করে এবার আলুর আবাদ করেছেন। ফসল নষ্ট হলে কেবল বিনিয়োগ নয়, বরং ঋণের বোঝা বইতে গিয়ে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মক সংকটে পড়বে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দ্রুত জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। তারা জানান, এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জমি থেকে পানি সরানো। অন্যথায় দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ মুহূর্তেই বিলীন হয়ে যাবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।