
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতাঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী জোড়গাছ হাটের খাস খাজনা আদায়ে নিলাম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেড় কোটি টাকা ইজারা দেয়া হয়। ইজারাদার হিসাবে সর্বোচ্চ দর ডেকে হাটটি নেন কুড়িগ্রামস্থ আবু রায়হান ফারুকী।ওই হাটের প্রবেশদ্বার একমাত্র পাকা রাস্তাটি কাদা,পানি আর ময়লায় বেহাল দশা। দেখার কেউ নেই।
জানা গেছে,কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাজার জোড়গাছ হাট।ঐতিহ্যবাহী ওই হাটটি প্রতিবছর বাংলা সনের শুরুতে নানা উৎসাহ-উদ্দিপনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রতিযোগীতার মাধ্যমে নিলামে ডাক হয়।ডাকের মাধ্যমের সর্বোচ্চ দরদাতার নামে এক বছরের জন্য দেয়া হয় হাট।নিয়মানুযায়ী চলতি ১৪৩২বঙ্গাব্দে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওই হাটটি দেড় কোটি টাকায় ইজারা নেন কুড়িগ্রামের আবু রায়হান ফারুকী। বাজারের প্রবেশদ্বার একমাত্র পাকা রাস্তাটি কাদা,পানি আর ময়লায় বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই।
সরেজমিনে দেখা গেছে,জোড়গাছ পুরাতন বাজারের প্রবেশদ্বার একমাত্র পাকা রাস্তাটিতে কাদা,পানি ও ময়লা জমে বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে।দুই ধারে দোকান মাঝে পাকা রাস্তা।সেটি চলার উপযোগীতা হারিয়েছে।কাদা মাঝে সারিবদ্ধভাবে চলছে বিভিন্ন যানবাহন আর দুই ধারে দোকানে দরজা নিয়ে ঠেলা-ঠেলি করে হেটে চলছে পথচারী নারি-পুরুষরা।
এসময় সাদেক হোসেন, রুবেল মিয়া,সোহেল আহমেদ,মনজু মিয়া,বাচ্চু মিয়াসহ অনেকে জানান,এটি পাকা রাস্তা অথচ কাদা আর পানি দিয়ে বেহাল দশা। উপজেলার একমাত্র বড় হাট এটি,এই হাটে নিলাম ডাক হয়েছে দেড় কোটি টাকা অথচ রাস্তা দিয়ে মানুষ বাজারে যেতে পারে না।এটি কার দায়িত্ব?এ প্রতিনিধিকে ছবি তুলতে দেখে এমন প্রশ্ন করেন তারা।
এবিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার সবুজ কুমার বসাক জানান,রাস্তাটির বেহাল দশা আমি দেখেছি।আমরা চেষ্টা করছি যেহেতু সামনে ঈদ আছে।আপাতত সমাধান করার চেষ্টা করছি ঈদের পরে বড় প্লানিংয়ে যেতে হবে।

Reporter Name 



















