Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ও মেয়ে আহত ১০ মাস বিচারকহীন সাদুল্লাপুর সহকারী জজ আদালত, ঝুলে আছে প্রায় ৪ হাজার মামলা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমার বড় অর্জন চিলমারী-রৌমারী নৌ-পথে নাব্যতা ফিরলেও মিলছে না ফেরি জনপ্রিয়তা সত্যের মানদণ্ড নয়: পছন্দ, আবেগ ও বিশ্বাসের প্রকাশ মাত্র  হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ সাঘাটায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নওগাঁয় হানিট্র্যাপে শিক্ষককে জিম্মি: নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ লং মার্চ নির্যাতিত মানুষের পক্ষে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ : মাওলানা আবদুল হালিম গোবিন্দগঞ্জে ৩২ বছর আগের হত্যাকাণ্ড: পরকীয়া ঢাকতে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার

দলে মেসি থাকতেও স্পেনের কাছে হারল আর্জেন্টিনা: হারের ৫ মূল কারণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ১৮৮ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট:

লিওনেল মেসি দলে থাকার পরেও শেষরক্ষা হলো না আর্জেন্টিনার। স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে খালি হাতে ফিরতে হলো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। ফাইনালে স্পেনের সামনে কার্যত দাঁড়াতেই পারেনি আর্জেন্টিনা। মেসিদের মতো বিশ্বসেরা তারকা দলে থাকার পরও কেন পুরো ম্যাচ রক্ষণাত্মক খেলল দল? কোচ লিওনেল স্কালোনির পরিকল্পনাতেই কি গলদ ছিল, নাকি ফুটবলারদের ব্যর্থতা? আর্জেন্টিনার এই চরম বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে ৫টি মূল কারণ:

১. অতিরিক্ত মেসি-নির্ভরতা: এই দলটি এখনও পুরোপুরি লিওনেল মেসির ওপর নির্ভরশীল। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোতে কঠিন পরিস্থিতি থেকে মেসিই দলকে টেনে তুলেছিলেন। গোল করেছেন এবং করিয়েছেন। কিন্তু ফাইনালে স্পেন তাঁকে বোতলবন্দি করে রাখায় মেসি কার্যত দর্শকের ভূমিকায় চলে যান। আর মেসি আটকে যেতেই পুরো আর্জেন্টিনা দলের আক্রমণভাগ অচল হয়ে পড়ে।

২. স্পেনের মাঝমাঠের আধিপত্য: গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে মাঠ মাতিয়েছে স্পেনের মাঝমাঠ। ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বলের দখল সিংহভাগ সময় স্প্যানিশদের পায়েই ছিল। তারা নিজেদের ছন্দে খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছে। বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচ জুড়ে শুধু বলের পেছনেই ছুটেছে, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি।

৩. এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড: ১১ জনের বিরুদ্ধে ১১ জনের লড়াইয়ে তাও কিছুটা আশা ছিল আর্জেন্টিনার। কিন্তু ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা পুরোপুরি ব্যাকফুটে চলে যায়। ১০ জনের দল নিয়ে এই শক্তিশালী স্পেনের আক্রমণ সামলানো অসম্ভব ছিল, মাঠের ফলে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।

৪. লিসান্দ্রো মার্তিনেজের চোট: বিশ্বকাপের শুরু থেকে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের মূল ভরসা ছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। দলের প্রয়োজনে আক্রমণেও সাহায্য করছিলেন তিনি। কিন্তু ফাইনালে প্রথমার্ধেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ে তিনি মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। লিসান্দ্রো উঠে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনার ডিফেন্স একেবারেই নড়বড়ে হয়ে পড়ে।

৫. স্কালোনির অতি-রক্ষণাত্মক কৌশল: গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই কোচ লিওনেল স্কালোনির রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। খেলার গতি কমিয়ে দেওয়া কিংবা ফাউল করে প্রতিপক্ষের ছন্দ নষ্ট করার কৌশল ফাইনালে বুমেরাং হয়ে দাঁড়ায়। আক্রমণাত্মক খেললে আর্জেন্টিনা কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা আগের ম্যাচেই দেখা গিয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে স্কালোনির অতি-রক্ষণাত্মক পরিকল্পনাই ডুবাল দলকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ও মেয়ে আহত

দলে মেসি থাকতেও স্পেনের কাছে হারল আর্জেন্টিনা: হারের ৫ মূল কারণ

Update Time : ০৯:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট:

লিওনেল মেসি দলে থাকার পরেও শেষরক্ষা হলো না আর্জেন্টিনার। স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে খালি হাতে ফিরতে হলো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। ফাইনালে স্পেনের সামনে কার্যত দাঁড়াতেই পারেনি আর্জেন্টিনা। মেসিদের মতো বিশ্বসেরা তারকা দলে থাকার পরও কেন পুরো ম্যাচ রক্ষণাত্মক খেলল দল? কোচ লিওনেল স্কালোনির পরিকল্পনাতেই কি গলদ ছিল, নাকি ফুটবলারদের ব্যর্থতা? আর্জেন্টিনার এই চরম বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে ৫টি মূল কারণ:

১. অতিরিক্ত মেসি-নির্ভরতা: এই দলটি এখনও পুরোপুরি লিওনেল মেসির ওপর নির্ভরশীল। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোতে কঠিন পরিস্থিতি থেকে মেসিই দলকে টেনে তুলেছিলেন। গোল করেছেন এবং করিয়েছেন। কিন্তু ফাইনালে স্পেন তাঁকে বোতলবন্দি করে রাখায় মেসি কার্যত দর্শকের ভূমিকায় চলে যান। আর মেসি আটকে যেতেই পুরো আর্জেন্টিনা দলের আক্রমণভাগ অচল হয়ে পড়ে।

২. স্পেনের মাঝমাঠের আধিপত্য: গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে মাঠ মাতিয়েছে স্পেনের মাঝমাঠ। ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বলের দখল সিংহভাগ সময় স্প্যানিশদের পায়েই ছিল। তারা নিজেদের ছন্দে খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছে। বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচ জুড়ে শুধু বলের পেছনেই ছুটেছে, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি।

৩. এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড: ১১ জনের বিরুদ্ধে ১১ জনের লড়াইয়ে তাও কিছুটা আশা ছিল আর্জেন্টিনার। কিন্তু ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা পুরোপুরি ব্যাকফুটে চলে যায়। ১০ জনের দল নিয়ে এই শক্তিশালী স্পেনের আক্রমণ সামলানো অসম্ভব ছিল, মাঠের ফলে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।

৪. লিসান্দ্রো মার্তিনেজের চোট: বিশ্বকাপের শুরু থেকে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের মূল ভরসা ছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। দলের প্রয়োজনে আক্রমণেও সাহায্য করছিলেন তিনি। কিন্তু ফাইনালে প্রথমার্ধেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ে তিনি মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। লিসান্দ্রো উঠে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনার ডিফেন্স একেবারেই নড়বড়ে হয়ে পড়ে।

৫. স্কালোনির অতি-রক্ষণাত্মক কৌশল: গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই কোচ লিওনেল স্কালোনির রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। খেলার গতি কমিয়ে দেওয়া কিংবা ফাউল করে প্রতিপক্ষের ছন্দ নষ্ট করার কৌশল ফাইনালে বুমেরাং হয়ে দাঁড়ায়। আক্রমণাত্মক খেললে আর্জেন্টিনা কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা আগের ম্যাচেই দেখা গিয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে স্কালোনির অতি-রক্ষণাত্মক পরিকল্পনাই ডুবাল দলকে।