Dhaka ০১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশেস সাথে সংঘর্ষ মার্কিন ডিভি লটারি চালুর নির্দেশ স্থগিত করলেন আপিল আদালত ব্রহ্মপুত্রের বুকে নৌকার পাটাতনে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু গাইবান্ধায় শতভাগ ফেলের তালিকায় জুমারবাড়ি ও ফকিরহাট মহিলা কলেজ : ৩ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য এইচএসসি: এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষা, সুযোগ পাবেন ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী সুন্দরগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৫ দোকান, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি এইচএসসির ফলে বড় ধস: পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই তলানিতে গড় পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ, কোন বোর্ডে পাশের হার কত? কৃষকের সন্তান থেকে চিকিৎসক হওয়ার পথে শাকিল

প্রবাসীর মেয়েকে ধর্ষণ, মৃত্যুর আগে জানাল ধর্ষকের নাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুন ২০২৩
  • ৫২৯ Time View

প্রবাসীর ১০ বছরের একটি শিশুকে টিকটকের নামে ছাদে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।  মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ধর্ষণকারীর নাম প্রকাশ করেছে সে। এ ঘটনায় র‌্যাব-৪ এর একটি দল ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নরসিংহপুর বাংলাবাজার এলাকার সিরাজ সরকারের বাড়ি থেকে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী সজলকে (২৩) আটক করে র‌্যাব। 

আটকের বিষয়টি র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার রাত ৭টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধর্ষণের শিকার মারিয়া আক্তার অনন্যা (১০) মারা যায়।

নিহত মারিয়া আক্তার অনন্যা রংপুর জেলার কামাল হোসেনের মেয়ে। সে আশুলিয়ার নরসিংহপুরের একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত। সে তার বাবা ও বোনের সঙ্গে আশুলিয়ার নরসিংপুর বাংলাবাজার এলাকার শাজাহান সরকারের বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকত।

ধর্ষক নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানার শফিকুল ইসলামের ছেলে সজল (২৩)।  সে নরসিংপুর বাংলাবাজার এলাকায় একই বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

শিশুটির খালাতো ভাই পিয়াস বলেন, ধর্ষক সজল শিশুটিকে টিকটক করার কথা বলে বাড়ির  ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করে। অনন্যা প্রায় মাস খানেক যাবত অসুস্থ ছিল। মা বিদেশে থাকে। বড় বোন ও বাবার সঙ্গে থেকে একটি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করত।

বড় বোনের বিয়ে হওয়ায় তিনি স্বামীর সঙ্গে থাকেন। ধর্ষণের শিকার হয়ে কোনো অভিভাবক না থাকায় কারো কাছে কিছু বলতে পারনি সে। তাই তাকে কবিরাজ দেখিয়েছে। মেয়ের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটির মা বিদেশ থেকে দেশে আসেন। 

এরপরে অসুস্থতার ব্যাপারে সে মায়ের কাছে  জানায়- পাশের বাসার সজল তাকে টিকটক করার জন্য বাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেছে । এর পর থেকে সে অসুস্থ। পরে  তার মা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে । শুক্রবার রাত ৭টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুটির  প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডাক্তারের রিপোর্ট অনুসারে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

প্রবাসীর মেয়েকে ধর্ষণ, মৃত্যুর আগে জানাল ধর্ষকের নাম

Update Time : ১০:৫৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুন ২০২৩

প্রবাসীর ১০ বছরের একটি শিশুকে টিকটকের নামে ছাদে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।  মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ধর্ষণকারীর নাম প্রকাশ করেছে সে। এ ঘটনায় র‌্যাব-৪ এর একটি দল ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নরসিংহপুর বাংলাবাজার এলাকার সিরাজ সরকারের বাড়ি থেকে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী সজলকে (২৩) আটক করে র‌্যাব। 

আটকের বিষয়টি র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার রাত ৭টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধর্ষণের শিকার মারিয়া আক্তার অনন্যা (১০) মারা যায়।

নিহত মারিয়া আক্তার অনন্যা রংপুর জেলার কামাল হোসেনের মেয়ে। সে আশুলিয়ার নরসিংহপুরের একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত। সে তার বাবা ও বোনের সঙ্গে আশুলিয়ার নরসিংপুর বাংলাবাজার এলাকার শাজাহান সরকারের বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকত।

ধর্ষক নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানার শফিকুল ইসলামের ছেলে সজল (২৩)।  সে নরসিংপুর বাংলাবাজার এলাকায় একই বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

শিশুটির খালাতো ভাই পিয়াস বলেন, ধর্ষক সজল শিশুটিকে টিকটক করার কথা বলে বাড়ির  ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করে। অনন্যা প্রায় মাস খানেক যাবত অসুস্থ ছিল। মা বিদেশে থাকে। বড় বোন ও বাবার সঙ্গে থেকে একটি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করত।

বড় বোনের বিয়ে হওয়ায় তিনি স্বামীর সঙ্গে থাকেন। ধর্ষণের শিকার হয়ে কোনো অভিভাবক না থাকায় কারো কাছে কিছু বলতে পারনি সে। তাই তাকে কবিরাজ দেখিয়েছে। মেয়ের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটির মা বিদেশ থেকে দেশে আসেন। 

এরপরে অসুস্থতার ব্যাপারে সে মায়ের কাছে  জানায়- পাশের বাসার সজল তাকে টিকটক করার জন্য বাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেছে । এর পর থেকে সে অসুস্থ। পরে  তার মা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে । শুক্রবার রাত ৭টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুটির  প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডাক্তারের রিপোর্ট অনুসারে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।