Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ও মেয়ে আহত ১০ মাস বিচারকহীন সাদুল্লাপুর সহকারী জজ আদালত, ঝুলে আছে প্রায় ৪ হাজার মামলা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমার বড় অর্জন চিলমারী-রৌমারী নৌ-পথে নাব্যতা ফিরলেও মিলছে না ফেরি জনপ্রিয়তা সত্যের মানদণ্ড নয়: পছন্দ, আবেগ ও বিশ্বাসের প্রকাশ মাত্র  হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ সাঘাটায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নওগাঁয় হানিট্র্যাপে শিক্ষককে জিম্মি: নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ লং মার্চ নির্যাতিত মানুষের পক্ষে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ : মাওলানা আবদুল হালিম গোবিন্দগঞ্জে ৩২ বছর আগের হত্যাকাণ্ড: পরকীয়া ঢাকতে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার

ফাইনাল শেষে কেন ধাক্কাধাক্কি আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফুটবলারদের? প্রকাশ্যে এল মূল কারণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ২৭২ Time View

বিশ্বকাপ ফাইনালের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের শেষটা মোটেও সুখকর হয়নি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই মাঠের ভেতর হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবলাররা। বিশেষ করে লিওনেল মেসির সতীর্থদের বেশ আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা যায়। হঠাৎ কেন এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিবাদের সৃষ্টি হলো, তার মূল কারণ এবার প্রকাশ্যে এসেছে।

ম্যাচ শেষ হতেই স্পেনের খেলোয়াড়রা যখন উল্লাসে মাতোয়ারা, তখন হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার। ঠিক তখনই মাঠের মাঝখানে দু’দলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও গালিগালাজ শুরু হয়, যা দ্রুতই রূপ নেয় হাতাহাতিতে।

ঘটনার সূত্রপাত আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি ও স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির তর্কাতর্কি থেকে। ম্যাচজুড়ে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে স্প্যানিশদের আপত্তির দিকে ইঙ্গিত করে ওটামেন্ডি রদ্রিকে বলেন, “কম কথা বলো মূর্খ। গোটা সপ্তাহ ধরে তো শুধু কাঁদুনি গেয়েছ। তুমি আর লাপোর্তে খালি অভিযোগই করে গেলে। রেফারিকে নিয়ে তোমাদের এত অভিযোগ করা ঠিক হয়নি।”

জবাবে রদ্রি বলেন, “আমি কিন্তু তোমাকে সম্মান করি।” তবে ওটামেন্ডি থামেননি। তিনি পাল্টা বলেন, “ম্যাচের আগে এত কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না।” এতে রদ্রি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্ন করেন, “কেন এত বাজে কথা বলছ?”

ঠিক এই মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে মাঠে যোগ দেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। পুরো ম্যাচেই শারীরিক ফুটবল খেলা পারেদেস ম্যাচ শেষে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। এই অভদ্র আচরণের জন্য ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও রেফারি পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান। ফলে এনজো ফার্নান্দেজের মতো পারেদেসও আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দু’দলের সাপোর্ট স্টাফ ও আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নেমে খেলোয়াড়দের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে শান্ত স্বভাবের কোচ স্কালোনিকেও সে সময় এরিক গার্সিয়ার সাথে বেশ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ও মেয়ে আহত

ফাইনাল শেষে কেন ধাক্কাধাক্কি আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফুটবলারদের? প্রকাশ্যে এল মূল কারণ

Update Time : ০২:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের শেষটা মোটেও সুখকর হয়নি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই মাঠের ভেতর হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবলাররা। বিশেষ করে লিওনেল মেসির সতীর্থদের বেশ আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা যায়। হঠাৎ কেন এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিবাদের সৃষ্টি হলো, তার মূল কারণ এবার প্রকাশ্যে এসেছে।

ম্যাচ শেষ হতেই স্পেনের খেলোয়াড়রা যখন উল্লাসে মাতোয়ারা, তখন হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার। ঠিক তখনই মাঠের মাঝখানে দু’দলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও গালিগালাজ শুরু হয়, যা দ্রুতই রূপ নেয় হাতাহাতিতে।

ঘটনার সূত্রপাত আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি ও স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির তর্কাতর্কি থেকে। ম্যাচজুড়ে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে স্প্যানিশদের আপত্তির দিকে ইঙ্গিত করে ওটামেন্ডি রদ্রিকে বলেন, “কম কথা বলো মূর্খ। গোটা সপ্তাহ ধরে তো শুধু কাঁদুনি গেয়েছ। তুমি আর লাপোর্তে খালি অভিযোগই করে গেলে। রেফারিকে নিয়ে তোমাদের এত অভিযোগ করা ঠিক হয়নি।”

জবাবে রদ্রি বলেন, “আমি কিন্তু তোমাকে সম্মান করি।” তবে ওটামেন্ডি থামেননি। তিনি পাল্টা বলেন, “ম্যাচের আগে এত কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না।” এতে রদ্রি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্ন করেন, “কেন এত বাজে কথা বলছ?”

ঠিক এই মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে মাঠে যোগ দেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। পুরো ম্যাচেই শারীরিক ফুটবল খেলা পারেদেস ম্যাচ শেষে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। এই অভদ্র আচরণের জন্য ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও রেফারি পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান। ফলে এনজো ফার্নান্দেজের মতো পারেদেসও আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দু’দলের সাপোর্ট স্টাফ ও আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নেমে খেলোয়াড়দের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে শান্ত স্বভাবের কোচ স্কালোনিকেও সে সময় এরিক গার্সিয়ার সাথে বেশ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়।