Dhaka ০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর নলকূপ আছে, পানি নেই দ্বন্দ্বে বিপর্যস্ত নওগাঁর হাজারো কৃষক ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধের ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবি সাঘাটা উপজেলা বিএনপি’র সাথে এমপি মমতাজের মতবিনিময় সভা পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: শতাধিক প্রাণহানি, ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নিষিদ্ধ নেইমার: গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে ছাড়াই মাঠে নামছে সান্তোস পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধি: ধর্মীয় স্থাপনায় হামলায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, শান্তির আহ্বান গাইবান্ধায় সাবেক সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন: জমি বিক্রি ও স্ত্রীর অপপ্রচারের প্রতিবাদ আজ কিংবদন্তি লোকসংগীত শিল্পী আবদুল আলীমের জন্মদিন ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

ফাইনাল শেষে কেন ধাক্কাধাক্কি আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফুটবলারদের? প্রকাশ্যে এল মূল কারণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ১৯৫ Time View

বিশ্বকাপ ফাইনালের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের শেষটা মোটেও সুখকর হয়নি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই মাঠের ভেতর হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবলাররা। বিশেষ করে লিওনেল মেসির সতীর্থদের বেশ আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা যায়। হঠাৎ কেন এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিবাদের সৃষ্টি হলো, তার মূল কারণ এবার প্রকাশ্যে এসেছে।

ম্যাচ শেষ হতেই স্পেনের খেলোয়াড়রা যখন উল্লাসে মাতোয়ারা, তখন হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার। ঠিক তখনই মাঠের মাঝখানে দু’দলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও গালিগালাজ শুরু হয়, যা দ্রুতই রূপ নেয় হাতাহাতিতে।

ঘটনার সূত্রপাত আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি ও স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির তর্কাতর্কি থেকে। ম্যাচজুড়ে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে স্প্যানিশদের আপত্তির দিকে ইঙ্গিত করে ওটামেন্ডি রদ্রিকে বলেন, “কম কথা বলো মূর্খ। গোটা সপ্তাহ ধরে তো শুধু কাঁদুনি গেয়েছ। তুমি আর লাপোর্তে খালি অভিযোগই করে গেলে। রেফারিকে নিয়ে তোমাদের এত অভিযোগ করা ঠিক হয়নি।”

জবাবে রদ্রি বলেন, “আমি কিন্তু তোমাকে সম্মান করি।” তবে ওটামেন্ডি থামেননি। তিনি পাল্টা বলেন, “ম্যাচের আগে এত কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না।” এতে রদ্রি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্ন করেন, “কেন এত বাজে কথা বলছ?”

ঠিক এই মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে মাঠে যোগ দেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। পুরো ম্যাচেই শারীরিক ফুটবল খেলা পারেদেস ম্যাচ শেষে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। এই অভদ্র আচরণের জন্য ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও রেফারি পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান। ফলে এনজো ফার্নান্দেজের মতো পারেদেসও আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দু’দলের সাপোর্ট স্টাফ ও আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নেমে খেলোয়াড়দের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে শান্ত স্বভাবের কোচ স্কালোনিকেও সে সময় এরিক গার্সিয়ার সাথে বেশ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর

ফাইনাল শেষে কেন ধাক্কাধাক্কি আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফুটবলারদের? প্রকাশ্যে এল মূল কারণ

Update Time : ০২:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের শেষটা মোটেও সুখকর হয়নি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই মাঠের ভেতর হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবলাররা। বিশেষ করে লিওনেল মেসির সতীর্থদের বেশ আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা যায়। হঠাৎ কেন এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিবাদের সৃষ্টি হলো, তার মূল কারণ এবার প্রকাশ্যে এসেছে।

ম্যাচ শেষ হতেই স্পেনের খেলোয়াড়রা যখন উল্লাসে মাতোয়ারা, তখন হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার। ঠিক তখনই মাঠের মাঝখানে দু’দলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও গালিগালাজ শুরু হয়, যা দ্রুতই রূপ নেয় হাতাহাতিতে।

ঘটনার সূত্রপাত আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি ও স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির তর্কাতর্কি থেকে। ম্যাচজুড়ে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে স্প্যানিশদের আপত্তির দিকে ইঙ্গিত করে ওটামেন্ডি রদ্রিকে বলেন, “কম কথা বলো মূর্খ। গোটা সপ্তাহ ধরে তো শুধু কাঁদুনি গেয়েছ। তুমি আর লাপোর্তে খালি অভিযোগই করে গেলে। রেফারিকে নিয়ে তোমাদের এত অভিযোগ করা ঠিক হয়নি।”

জবাবে রদ্রি বলেন, “আমি কিন্তু তোমাকে সম্মান করি।” তবে ওটামেন্ডি থামেননি। তিনি পাল্টা বলেন, “ম্যাচের আগে এত কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না।” এতে রদ্রি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্ন করেন, “কেন এত বাজে কথা বলছ?”

ঠিক এই মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে মাঠে যোগ দেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। পুরো ম্যাচেই শারীরিক ফুটবল খেলা পারেদেস ম্যাচ শেষে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। এই অভদ্র আচরণের জন্য ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও রেফারি পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান। ফলে এনজো ফার্নান্দেজের মতো পারেদেসও আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দু’দলের সাপোর্ট স্টাফ ও আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নেমে খেলোয়াড়দের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে শান্ত স্বভাবের কোচ স্কালোনিকেও সে সময় এরিক গার্সিয়ার সাথে বেশ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়।