Dhaka ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১০ মাস বিচারকহীন সাদুল্লাপুর সহকারী জজ আদালত, ঝুলে আছে প্রায় ৪ হাজার মামলা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমার বড় অর্জন চিলমারী-রৌমারী নৌ-পথে নাব্যতা ফিরলেও মিলছে না ফেরি জনপ্রিয়তা সত্যের মানদণ্ড নয়: পছন্দ, আবেগ ও বিশ্বাসের প্রকাশ মাত্র  হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ সাঘাটায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নওগাঁয় হানিট্র্যাপে শিক্ষককে জিম্মি: নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ লং মার্চ নির্যাতিত মানুষের পক্ষে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ : মাওলানা আবদুল হালিম গোবিন্দগঞ্জে ৩২ বছর আগের হত্যাকাণ্ড: পরকীয়া ঢাকতে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় এজাহার দলবাজি নয়, বালাসীঘাটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ করতে হবে: ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক

বিকেএসপিতে সুযোগ: পলাশবাড়ীর মুখ উজ্জ্বল করলেন সাদিয়া ও আদ্রিতা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬০ Time View

পলাশবাড়ী  প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সাফল্যের পালক যুক্ত হলো। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির সুযোগ পেয়ে পলাশবাড়ীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন দুই নারী ফুটবলার-সাদিয়া আক্তার ও আদ্রিতা রায়। চলতি বছর সারা দেশ থেকে মাত্র ১০ জন নারী ফুটবলার বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন, যার মধ্যে দুইজনই উঠে এসেছেন পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমি থেকে।

খেলোয়াড় পরিচিতি বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়া সাদিয়া আক্তার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের সোহেব মিয়ার মেয়ে। অন্যদিকে, আদ্রিতা রায় পলাশবাড়ী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুলশী কুমার রায়ের মেয়ে। দুজনই পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমির নিয়মিত খেলোয়াড়।

সাফল্যের নেপথ্যে ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমি গাইবান্ধার ক্রীড়াঙ্গনে নিয়মিত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। একাডেমির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক ফুটবলার ও জেলা নারী দলের কোচ সুরুজ হক লিটন। নারী দলের সহকারী কোচ হিসেবে আছেন হাবিবা। এছাড়া পুরুষ দলের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন রাকিব, নিয়ামুল ও মুন। তাদের নিবিড় প্রশিক্ষণেই উঠে এসেছেন সাদিয়া ও আদ্রিতা। সুরুজ হক লিটন জানান, নিয়মিত চর্চা আর পরিশ্রম আজ দু’জন বিকেএসপিতে স্থান পেয়েছে যা আমাদের পলাশবাড়ি  এবং গাইবান্ধার  মুখ উজ্জ্বল করেছে। তিনি আশা করেন  গাইবান্ধার নারী  খেলোয়ারেরা দেশ বিদেশে সুনাম বয়ে আনবে।

একাডেমি সূত্রে জানা যায়, ছেলে ও মেয়ে উভয় দলই জেলার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে নিয়মিত সাফল্য অর্জন করে আসছে। বিকেএসপিতে উন্নত প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়া সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকায় সাদিয়া ও আদ্রিতাকে নিয়ে আশাবাদী একাডেমির কর্মকর্তারা। তাদের বিশ্বাস, ভবিষ্যতে এই দুই কিশোরী জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

আনন্দ ও উচ্ছ্বাস স্থানীয় দুই কিশোরীর এমন সাফল্যে পলাশবাড়ীর ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের বন্যা বইছে। স্থানীয় ফুটবল প্রেমীরা জানান, এই সাফল্য শুধু পলাশবাড়ীর নয়, পুরো গাইবান্ধা জেলার। তাদের এই অর্জন নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।

একাডেমির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ বলেন, ‘‘পলাশবাড়ী উপজেলা ফুটবল একাডেমির দুই নারী ফুটবলার বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ায় আমরা গর্বিত। এটি একাডেমি ও উপজেলার জন্য বড় অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে কোচ, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে। আমি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।’’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

১০ মাস বিচারকহীন সাদুল্লাপুর সহকারী জজ আদালত, ঝুলে আছে প্রায় ৪ হাজার মামলা

বিকেএসপিতে সুযোগ: পলাশবাড়ীর মুখ উজ্জ্বল করলেন সাদিয়া ও আদ্রিতা

Update Time : ০৭:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পলাশবাড়ী  প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সাফল্যের পালক যুক্ত হলো। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির সুযোগ পেয়ে পলাশবাড়ীর মুখ উজ্জ্বল করেছেন দুই নারী ফুটবলার-সাদিয়া আক্তার ও আদ্রিতা রায়। চলতি বছর সারা দেশ থেকে মাত্র ১০ জন নারী ফুটবলার বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন, যার মধ্যে দুইজনই উঠে এসেছেন পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমি থেকে।

খেলোয়াড় পরিচিতি বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়া সাদিয়া আক্তার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের সোহেব মিয়ার মেয়ে। অন্যদিকে, আদ্রিতা রায় পলাশবাড়ী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুলশী কুমার রায়ের মেয়ে। দুজনই পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমির নিয়মিত খেলোয়াড়।

সাফল্যের নেপথ্যে ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমি গাইবান্ধার ক্রীড়াঙ্গনে নিয়মিত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। একাডেমির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক ফুটবলার ও জেলা নারী দলের কোচ সুরুজ হক লিটন। নারী দলের সহকারী কোচ হিসেবে আছেন হাবিবা। এছাড়া পুরুষ দলের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন রাকিব, নিয়ামুল ও মুন। তাদের নিবিড় প্রশিক্ষণেই উঠে এসেছেন সাদিয়া ও আদ্রিতা। সুরুজ হক লিটন জানান, নিয়মিত চর্চা আর পরিশ্রম আজ দু’জন বিকেএসপিতে স্থান পেয়েছে যা আমাদের পলাশবাড়ি  এবং গাইবান্ধার  মুখ উজ্জ্বল করেছে। তিনি আশা করেন  গাইবান্ধার নারী  খেলোয়ারেরা দেশ বিদেশে সুনাম বয়ে আনবে।

একাডেমি সূত্রে জানা যায়, ছেলে ও মেয়ে উভয় দলই জেলার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে নিয়মিত সাফল্য অর্জন করে আসছে। বিকেএসপিতে উন্নত প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়া সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকায় সাদিয়া ও আদ্রিতাকে নিয়ে আশাবাদী একাডেমির কর্মকর্তারা। তাদের বিশ্বাস, ভবিষ্যতে এই দুই কিশোরী জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

আনন্দ ও উচ্ছ্বাস স্থানীয় দুই কিশোরীর এমন সাফল্যে পলাশবাড়ীর ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের বন্যা বইছে। স্থানীয় ফুটবল প্রেমীরা জানান, এই সাফল্য শুধু পলাশবাড়ীর নয়, পুরো গাইবান্ধা জেলার। তাদের এই অর্জন নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।

একাডেমির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ বলেন, ‘‘পলাশবাড়ী উপজেলা ফুটবল একাডেমির দুই নারী ফুটবলার বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ায় আমরা গর্বিত। এটি একাডেমি ও উপজেলার জন্য বড় অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে কোচ, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে। আমি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।’’