
স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিয়ের মাত্র এক দিনের মাথায় আবু সালেম প্রধান (২৯) নামে এক স্কুলশিক্ষকের গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আবু সালেম উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের মধ্য মিরুপাড়া গ্রামের ইসাহাক আলী প্রধানের ছেলে। তিনি কাটাখালী বালুয়াহাটে অবস্থিত ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার পারিবারিকভাবে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের বাগদা মালেকাবাদ গ্রামের আয়েজ উদ্দিন প্রধানের মেয়ে শিমুলী আক্তারের (২৪) সঙ্গে আবু সালেমের বিয়ে হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বালুয়া বাজারে যাওয়ার কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু সন্ধ্যা নেমে এলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় নববিবাহিত স্ত্রী ও বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। রাতভর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সংলগ্ন গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি ব্রিজের দক্ষিণ পাশে হাওয়াখানা এলাকায় একটি কলাবাগানের ভেতরের ইউক্যালিপটাস গাছে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। মরদেহের গলায় লুঙ্গি প্যাঁচানো ছিল এবং পরনে ছিল গ্যাবার্ডিন প্যান্ট ও হাফহাতা গেঞ্জি। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের ভিড় জমে।
খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, আবু সালেমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে লাশ গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Reporter Name 


















