
স্পোর্টস ডেস্ক:
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলের বিপক্ষে স্কটল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঘটে গেল এক নাটকীয় ঘটনা। ফাউলের কারণে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির সাহায্যে বাতিল হয়েছে ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি গোল।
মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে নকআউট পর্বের আশা বাঁচিয়ে রাখতে স্কটল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল অন্তত একটি পয়েন্ট। তবে ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে স্কটিশ ডিফেন্ডার স্কট ম্যাককেনার মারাত্মক ভুলে বল পেয়ে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন ভিনিসিয়ুস।
এরপর ম্যাচের ২২ মিনিটে জ্যাক হেন্ড্রির আরেকটি ভুলের সুযোগ নিয়ে একক প্রচেষ্টায় স্কটল্যান্ডের জালে বল পাঠান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। তবে উল্লাসের রেশ কাটার আগেই ভিএআর পর্যালোচনার মাধ্যমে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। রিপ্লেতে দেখা যায়, বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মুহূর্তে হেন্ড্রির পায়ে লাথি মেরেছিলেন ভিনিসিয়ুস।
এই সিদ্ধান্তটি নিয়ে মাঠে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হলেও, রেফারি ও ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। সাবেক স্কটিশ ফুটবলার ও ধারাভাষ্যকার জেমস ম্যাকফ্যাডেন বলেন:”আমার দৃষ্টিতে এটি স্পষ্ট ফাউল ছিল। স্পর্শটি সামান্য মনে হলেও, বল কিক করার মুহূর্তে সেটি ডিফেন্ডারকে বাধাগ্রস্ত করেছে। তাই গোলটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক।”
গোল বাতিলের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ভিনিসিয়ুস। তবে সেই ক্ষোভকে মাঠের পারফরম্যান্সে রূপ দিয়ে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই এক দুর্দান্ত হেডে দলের পক্ষে দ্বিতীয় (বৈধ) গোলটি করেন তিনি। ভিনির এই জোড়া আঘাতে ম্যাচে বেশ ব্যাকফুটে চলে যায় স্কটল্যান্ড।
উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটে ১২টি গ্রুপের মধ্যে শীর্ষ আটটি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলও রাউন্ড অব ৩২-এ যাওয়ার সুযোগ পাবে। এই নতুন নিয়মের ওপর ভরসা রেখেই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে স্কটল্যান্ড।

Reporter Name 























