Dhaka ০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, ৮ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার-১

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ কয়েকজন পুলিশকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর জামায়াত নেতারা বলছেন, সিসিটিভির ভিডিও দেখে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে জড়িত সন্দেহে তৌহিদুল ইসলাম কানন নামের স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মীকে আটক করে পরে গ্রেপ্তার দেখানো দেখিয়েছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সহকারী পুলিশ সুপার, (সি সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। পরে তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালিবাজারে বিবাদমান একটি দোকানে তালাবদ্ধ করতে বলেন। এসময় ওসি দোকানে তালা দিতে রাজী না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে তর্ক হয়। তর্কের এক পর্যায়ে তারা ওসি গায়ে হাত তোলে। পরে ওসিকে বাঁচাতে অন্য পুলিশরা আসলে তারাও আহত হন বলে দাবী করেন পুলিশ কর্মকর্তা রশিদুল বারী।
তিনি আরও বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা প্রার্থমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পলাশবাড়ী থানায় কর্মরত আহত পুলিশ সদস্যের একজজন এএসআই রুহুল আমিন বলেন, পুলিশের ওপর আক্রমন করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাদের আটকাতে গিয়ে  হামলার শিকার হন। এ সময় তারা পুলিশকে মারধর করে বলে দাবী করেন থানায় কর্মরত এএসআই।
অভিযোগের বিষয়ে পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের  আমীর আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু থানায় যান।
জামায়াত নেতারা বলছেন, অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের কোন কর্মী জড়িত আছে কিনা থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।
গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও দেখতে চাইলে পুলিশ জানায়, পর্যারোচনা চলছে, উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ভিডিও দেখানো হবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গোবিন্দগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে যুবকের মৃত্যু, অসুস্থ ২

পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, ৮ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার-১

Update Time : ০৬:১৪:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ কয়েকজন পুলিশকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর জামায়াত নেতারা বলছেন, সিসিটিভির ভিডিও দেখে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে জড়িত সন্দেহে তৌহিদুল ইসলাম কানন নামের স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মীকে আটক করে পরে গ্রেপ্তার দেখানো দেখিয়েছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সহকারী পুলিশ সুপার, (সি সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় প্রবেশ করেন। পরে তারা থানার ওসি সারোয়ারে আলমকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালিবাজারে বিবাদমান একটি দোকানে তালাবদ্ধ করতে বলেন। এসময় ওসি দোকানে তালা দিতে রাজী না হলে পলাশ ও তার লোকজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে তর্ক হয়। তর্কের এক পর্যায়ে তারা ওসি গায়ে হাত তোলে। পরে ওসিকে বাঁচাতে অন্য পুলিশরা আসলে তারাও আহত হন বলে দাবী করেন পুলিশ কর্মকর্তা রশিদুল বারী।
তিনি আরও বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা প্রার্থমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পলাশবাড়ী থানায় কর্মরত আহত পুলিশ সদস্যের একজজন এএসআই রুহুল আমিন বলেন, পুলিশের ওপর আক্রমন করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাদের আটকাতে গিয়ে  হামলার শিকার হন। এ সময় তারা পুলিশকে মারধর করে বলে দাবী করেন থানায় কর্মরত এএসআই।
অভিযোগের বিষয়ে পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের  আমীর আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু থানায় যান।
জামায়াত নেতারা বলছেন, অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের কোন কর্মী জড়িত আছে কিনা থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।
গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও দেখতে চাইলে পুলিশ জানায়, পর্যারোচনা চলছে, উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ভিডিও দেখানো হবে।