Dhaka ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ দিনাজপুরে ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন রাণীনগরে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন রেজু এমপি শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা খুন, ভাই গুরুতর আহত সাঘাটায় পাঠাগার উদ্বোধন: ‘জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে পাঠাগারের বিকল্প নেই’ বর্ণিল শোভাযাত্রা ও নানা আয়োজনে গাইবান্ধায় বর্ষবরণ কানাডার ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রথম বাংলাদেশির রেকর্ড প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আজ, শিক্ষার্থীদের মানতে হবে  ১০ নির্দেশনা সাপাহারে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মৌলভীবাজারে হবু স্ত্রীর সাথে প্রতারণা, হবু স্বামীকে পর্নোগ্ৰাফি মামলায় গ্রেপ্তার

সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: ২ বালু দস্যু গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩৮ Time View

সাঘাটা প্রতিনিধি:
​গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরোধে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার মুন্সীরহাট ও হলদিয়া ইউনিয়নের নলছিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
​সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলমের সরাসরি নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-উপজেলার কচুয়াহাট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে সবুজ মিয়া (৪২) এবং উত্তর সাথালিয়া গ্রামের জহির উদ্দিন সরকারের ছেলে জুয়েল আমিন (৩৭)।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি মাহবুব আলম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স মুন্সীরহাট ও নলছিয়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। এসময় বালু উত্তোলনকালে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সবুজ মিয়া একজন চিহ্নিত ও পেশাদার ‘বালু দস্যু’ হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য যে: ​গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের এক অভিযানে তিনি আটক হয়েছিলেন। ​সে সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাঘাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিলেন।
​জরিমানা এবং আইনি ব্যবস্থার পরেও তিনি পুনরায় নদী দখল ও বালু লুটপাটে লিপ্ত হন।

​গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলম বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলনরোধে আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ ও নদীর ক্ষতি করে বালু লুটতরাজের সাথে জড়িত কাউকেই কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ

সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: ২ বালু দস্যু গ্রেপ্তার

Update Time : ০৪:২৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

সাঘাটা প্রতিনিধি:
​গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরোধে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার মুন্সীরহাট ও হলদিয়া ইউনিয়নের নলছিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
​সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলমের সরাসরি নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-উপজেলার কচুয়াহাট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে সবুজ মিয়া (৪২) এবং উত্তর সাথালিয়া গ্রামের জহির উদ্দিন সরকারের ছেলে জুয়েল আমিন (৩৭)।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি মাহবুব আলম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স মুন্সীরহাট ও নলছিয়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। এসময় বালু উত্তোলনকালে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সবুজ মিয়া একজন চিহ্নিত ও পেশাদার ‘বালু দস্যু’ হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য যে: ​গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের এক অভিযানে তিনি আটক হয়েছিলেন। ​সে সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাঘাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিলেন।
​জরিমানা এবং আইনি ব্যবস্থার পরেও তিনি পুনরায় নদী দখল ও বালু লুটপাটে লিপ্ত হন।

​গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলম বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলনরোধে আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ ও নদীর ক্ষতি করে বালু লুটতরাজের সাথে জড়িত কাউকেই কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।”