Dhaka ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুপি-হারিকেনের আলোয় পীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর মহিমাগঞ্জে ‘মব সৃষ্টি করে’ অধ্যক্ষকে পদচ্যুতির প্রতিবাদ ও পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ গণ উন্নয়ন কেন্দ্রে ‘আর্ন-নিট’ প্রকল্পের কর্মীদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় ৮ ঘণ্টায় ছিনতাইয়ের রহস্য উদ্‌ঘাটন, কৃষক দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ গাজীপুরে পোশাকশ্রমিক আন্দোলন: গোবিন্দগঞ্জে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন সুন্দরগঞ্জে বিপুল পরিমাণ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, জরিমানা সুন্দরগঞ্জে জমি দখলে নিতে বিধবার কাঁচা ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক: আর্থিক লেনদেন না করার অনুরোধ নওগাঁ কারা হেফাজতে বগুড়ার আওয়ামী লীগ নেতার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

কুপি-হারিকেনের আলোয় পীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৯ Time View

আবু তারেক বাঁধন, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

আধুনিক বিদ্যুতের আলোয় এখন ঝলমল করে গ্রামবাংলার রাত; হাতে হাতে স্মার্টফোন আর ঘরে ঘরে টেলিভিশন-ইন্টারনেট। যান্ত্রিক এই বাস্তবতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ফিরে এসেছিল বহু বছর আগের চেনা সেই আবহ।

কুপি ও হারিকেনের মৃদু আলো, মাটিতে বিছানো মাদুর আর পাটিতে গোল হয়ে বসে আছেন নানা বয়সী মানুষ। কারও হাতে স্মার্টফোন নেই, নেই টেলিভিশনের কৃত্রিম কোলাহল; সবার গভীর মনোযোগ সুর করে পড়া ঐতিহ্যবাহী পুঁথির ছন্দে।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ১ নম্বর ভোমরাদহ ইউনিয়নের সেনুয়া চৌরাস্তার ব্র্যাক স্কুল মাঠে লোকসংস্কৃতির এই ব্যতিক্রমী আসর অনুষ্ঠিত হয়। বিলুপ্তপ্রায় লোকজ সাহিত্য ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে স্থানীয় ‘অগ্রদূত পল্লী পাঠাগার’ তাদের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তির যুগে আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার প্রাচীন সাহিত্য ও সংস্কৃতি আজ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বাংলার লোকজ ঐতিহ্য ও ইতিহাসের চর্চা টিকিয়ে রাখাই তাঁদের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

পুঁথি পাঠের আসরে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ, পীরগঞ্জ শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি সাহেব আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান কামু, দবিরুল ইসলাম, নবাব হোসেন এবং বিএনপি নেতা আব্দুল আলিম ও মোস্তফা আলম কালুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি গ্রামবাংলার হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুপি-হারিকেনের আলোয় পীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর

কুপি-হারিকেনের আলোয় পীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর

Update Time : ০৩:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

আবু তারেক বাঁধন, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

আধুনিক বিদ্যুতের আলোয় এখন ঝলমল করে গ্রামবাংলার রাত; হাতে হাতে স্মার্টফোন আর ঘরে ঘরে টেলিভিশন-ইন্টারনেট। যান্ত্রিক এই বাস্তবতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ফিরে এসেছিল বহু বছর আগের চেনা সেই আবহ।

কুপি ও হারিকেনের মৃদু আলো, মাটিতে বিছানো মাদুর আর পাটিতে গোল হয়ে বসে আছেন নানা বয়সী মানুষ। কারও হাতে স্মার্টফোন নেই, নেই টেলিভিশনের কৃত্রিম কোলাহল; সবার গভীর মনোযোগ সুর করে পড়া ঐতিহ্যবাহী পুঁথির ছন্দে।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ১ নম্বর ভোমরাদহ ইউনিয়নের সেনুয়া চৌরাস্তার ব্র্যাক স্কুল মাঠে লোকসংস্কৃতির এই ব্যতিক্রমী আসর অনুষ্ঠিত হয়। বিলুপ্তপ্রায় লোকজ সাহিত্য ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে স্থানীয় ‘অগ্রদূত পল্লী পাঠাগার’ তাদের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আয়োজকরা জানান, প্রযুক্তির যুগে আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার প্রাচীন সাহিত্য ও সংস্কৃতি আজ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বাংলার লোকজ ঐতিহ্য ও ইতিহাসের চর্চা টিকিয়ে রাখাই তাঁদের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

পুঁথি পাঠের আসরে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ, পীরগঞ্জ শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি সাহেব আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান কামু, দবিরুল ইসলাম, নবাব হোসেন এবং বিএনপি নেতা আব্দুল আলিম ও মোস্তফা আলম কালুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি গ্রামবাংলার হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।