Dhaka ০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মেধা ও স্বপ্নের পাশে গাইবান্ধায় শিক্ষাবৃত্তি ও কৃতী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশিদের ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার কথা জানালেন উপহাইকমিশনার গাইবান্ধায় ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া ১৩ মাসের শিশু উদ্ধার, বাবাসহ গ্রেফতার ৪ মেসির শেষ ম্যাচ নিয়ে কী বললেন দি মারিয়া? ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির সাংগঠনিক সভা  জ্বালানি তেলের দামে বড় ধাক্কা, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা লোকালয়ে শিয়ালের হানা, শিশু-নারীসহ আহত ৯ জন বিশ্বব্যাংক, সরকার ও ডব্লিউএফপির প্রতিনিধিদলের জিইউকে এর প্রকল্প পরিদর্শন গাইবান্ধায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৭৬০টি গাছের চারা বিতরণ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

আমেরিকায় গ্রিন কার্ডের নিয়মে বড় পরিবর্তন: চাকরি থাকলেও যাচাই হবে সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩২ Time View

আজকের জনগণ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়ায় ‘Public Charge’ বা ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন ও কঠোরতর নীতি কার্যকর হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর করেছে মার্কিন Department of Homeland Security (DHS) ও U.S. Citizenship and Immigration Services (USCIS)।

সন্ধান২৪.কম-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। USCIS ও মার্কিন সরকারের প্রকাশিত নথি যাচাই করেও নতুন নীতি কার্যকর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নতুন ব্যবস্থায় ২০২২ সালের Public Charge Final Rule বাতিল করা হয়েছে। ফলে কোনো আবেদনকারী ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, তা নির্ধারণে অভিবাসন কর্মকর্তারা এখন আবেদনকারীর সামগ্রিক পরিস্থিতি বা ‘totality of the circumstances’ বিবেচনা করতে পারবেন।

এর অর্থ, শুধু একটি স্থায়ী চাকরি বা নির্দিষ্ট পরিমাণ আয় থাকাই গ্রিন কার্ড পাওয়ার নিশ্চয়তা দেবে না। কর্মকর্তারা আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক অবস্থা, সম্পদ ও আর্থিক সামর্থ্য, শিক্ষা এবং পেশাগত দক্ষতাসহ আইনে নির্ধারিত বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে পারবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি means-tested benefits গ্রহণের তথ্যও সামগ্রিক মূল্যায়নের অংশ হতে পারে।

তবে কোনো ধরনের সরকারি সুবিধা গ্রহণ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রিন কার্ডের আবেদন বাতিল হবে—বিষয়টি এমন নয়। আবেদনকারীর সম্পূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনা করেই USCIS সিদ্ধান্ত নেবে।

নতুন নিয়মটি মূলত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বা তার পরে postmark করা কিংবা ইলেকট্রনিকভাবে জমা দেওয়া সংশ্লিষ্ট Adjustment of Status আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এর আগে জমা দেওয়া আবেদন এবং ১৮ সেপ্টেম্বরের আগে গ্রহণ করা means-tested public benefits-এর ক্ষেত্রে আগের নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনার বিধান রাখা হয়েছে।

এই পরিবর্তন কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তবে শরণার্থী, আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তি এবং আইনে নির্ধারিত আরও কিছু শ্রেণির আবেদনকারী Public Charge বিধানের আওতামুক্ত বা বিশেষ বিধানের আওতায় রয়েছেন।

গত ২০ জুলাই DHS নতুন Final Rule প্রকাশ করে এবং USCIS ১৮ আগস্ট এ বিষয়ে বিস্তারিত Policy Guidance দেয়। উভয় সিদ্ধান্তই ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মেধা ও স্বপ্নের পাশে গাইবান্ধায় শিক্ষাবৃত্তি ও কৃতী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

আমেরিকায় গ্রিন কার্ডের নিয়মে বড় পরিবর্তন: চাকরি থাকলেও যাচাই হবে সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা

Update Time : ১০:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজকের জনগণ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়ায় ‘Public Charge’ বা ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন ও কঠোরতর নীতি কার্যকর হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর করেছে মার্কিন Department of Homeland Security (DHS) ও U.S. Citizenship and Immigration Services (USCIS)।

সন্ধান২৪.কম-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। USCIS ও মার্কিন সরকারের প্রকাশিত নথি যাচাই করেও নতুন নীতি কার্যকর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নতুন ব্যবস্থায় ২০২২ সালের Public Charge Final Rule বাতিল করা হয়েছে। ফলে কোনো আবেদনকারী ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, তা নির্ধারণে অভিবাসন কর্মকর্তারা এখন আবেদনকারীর সামগ্রিক পরিস্থিতি বা ‘totality of the circumstances’ বিবেচনা করতে পারবেন।

এর অর্থ, শুধু একটি স্থায়ী চাকরি বা নির্দিষ্ট পরিমাণ আয় থাকাই গ্রিন কার্ড পাওয়ার নিশ্চয়তা দেবে না। কর্মকর্তারা আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক অবস্থা, সম্পদ ও আর্থিক সামর্থ্য, শিক্ষা এবং পেশাগত দক্ষতাসহ আইনে নির্ধারিত বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে পারবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি means-tested benefits গ্রহণের তথ্যও সামগ্রিক মূল্যায়নের অংশ হতে পারে।

তবে কোনো ধরনের সরকারি সুবিধা গ্রহণ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রিন কার্ডের আবেদন বাতিল হবে—বিষয়টি এমন নয়। আবেদনকারীর সম্পূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনা করেই USCIS সিদ্ধান্ত নেবে।

নতুন নিয়মটি মূলত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বা তার পরে postmark করা কিংবা ইলেকট্রনিকভাবে জমা দেওয়া সংশ্লিষ্ট Adjustment of Status আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এর আগে জমা দেওয়া আবেদন এবং ১৮ সেপ্টেম্বরের আগে গ্রহণ করা means-tested public benefits-এর ক্ষেত্রে আগের নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনার বিধান রাখা হয়েছে।

এই পরিবর্তন কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তবে শরণার্থী, আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তি এবং আইনে নির্ধারিত আরও কিছু শ্রেণির আবেদনকারী Public Charge বিধানের আওতামুক্ত বা বিশেষ বিধানের আওতায় রয়েছেন।

গত ২০ জুলাই DHS নতুন Final Rule প্রকাশ করে এবং USCIS ১৮ আগস্ট এ বিষয়ে বিস্তারিত Policy Guidance দেয়। উভয় সিদ্ধান্তই ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।