
আফতাব হোসেন, গাইবান্ধা:
রাত পোহালেই বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। গাইবান্ধা জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন। নির্বাচনের আগের দিন আজ বুধবার দুপুর থেকেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম।
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুরো জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। ভোটের মাঠ শান্ত রাখতে এবং ভোটারদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কৌশলগত স্থানগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধার সাতটি উপজেলা ও চারটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ৫টি সংসদীয় আসনে এবার মোট ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে প্রতিটি আসনেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে।
জেলা নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত তথ্যমতে, জেলায় মোট ভোটার ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪০১ জন এবং নারী ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এবার জেলায় পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারের সংখ্যা বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, জয়-পরাজয় নির্ধারণে নারী ভোটাররা এবার ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারেন।
আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ৬৭৫টি ভোটকেন্দ্রের ৪ হাজার ১০১টি ভোটকক্ষে চলবে ভোটগ্রহণ।
নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণের সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। প্রশাসনের এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোটাররা।

Reporter Name 
























