
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আপিল আবেদন জমা পড়েনি। একই ঘটনা ঘটেছে শেরপুর-৩ আসনেও। ফলে প্রাথমিক বাছাই পর্বে টিকে যাওয়া সব প্রার্থীই ভোটের মাঠে লড়াইয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আপিলের জন্য নির্ধারিত শেষ সময় ছিল মঙ্গলবার (১০ মার্চ)।
ইসি সূত্র আরও জানায়, বগুড়া-৬ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন— বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার। বাছাইয়ে তাদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ের পর কোনো আপিল জমা পড়েনি। ফলে এই আসনে লড়াই হবে ত্রিমূখী।
অন্যদিকে শেরপুর-৩ আসনে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তারা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম। এখানেও কেউ কোনো আপিল করেননি।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হয়েছিলেন। তবে, আইন অনুযায়ী একই সঙ্গে দুটি আসনের সংসদ সদস্য থাকার সুযোগ না থাকায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন তফসিল দেয় কমিশন।
অন্যদিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুতে ভোট স্থগিত করেছিল ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল ঘোষণা করে সেখানেও নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৫ মার্চ এবং সবশেষে ৯ এপ্রিল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Reporter Name 



















