
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতাঃ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর টানা বৃষ্টির ফলে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতী এলাকায় আবারো ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে ৫০টি পরিবার তাদের বসত বাড়ি সরিয়ে নিয়েছেন।এছাড়াও হুমকির মুখে পড়েছে ওই এলাকার সরকারি স্থাপনাসহ আবাদি-জমি বসতবাড়ি ও কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত বৈদ্যুতিক সাবমেরিন কেবল। স্থানীয়রা বলছেন, ভাঙন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তপক্ষের ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস।
জানা গেছে,উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর টানা বৃষ্টির ফলে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতী এলাকায় আবারো ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে ৫০টি পরিবার তাদের বসত বাড়ি সরিয়ে নিয়েছেন।এছাড়াও হুমকির মুখে পড়েছে ওই এলাকার সরকারি স্থাপনাসহ আবাদি-জমি বসতবাড়ি ও কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত বৈদ্যুতিক সাবমেরিন কেবল। স্থানীয়রা বলছেন,ভাঙন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তপক্ষের ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস।
বুধবার সরজমিনে দেখা যায়, ব্রহ্মপুত্রের তান্ডবে ভেঙে গেছে চিলমারী ইউনিয়নের ৫০পরিবার।ওই এলাকায় আবাদি জমি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, হুমকিতে পড়েছে শাখাহাতী কমিউনিটি ক্লিনিক।মাত্র ৩দিনে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে শাখাহাতী এলাকার মমিনুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, জাবের হোসেন, ছয়নুদ্দীন, রান্জু মিয়া, নূর আলম, রান্জু, সুজা মিয়া,ছফিয়াল সহ আরও ৫০ টি পরিবার নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছেন। তিন দিনে ভেঙে গেছে,মসজিদ, মাদ্রাসা,কবরস্থান, ব্র্যাক অফিস। এছাড়াও গতবছর বসতভিটা হারা হয়েছেন একই গ্রামের গেছে ৩০০পরিবার। পরিবার গুলোর অভিযোগ,বসতভিটা হারা হলেও সরকারি ভাবে কোনো সহযোগিতা পায়নি তাঁরা। এসময় দেখা গেছে,স্থানীয়রা তাদের বসত বাড়ি সরিয়ে নিচ্ছন। সকাল থেকে মাথায় করে তাদের ঘরের বিচ্ছিন্ন অংশ গুলো নিরাপদ স্থানে নিচ্ছেন তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান,গত ৩৫বছর ধরে আমরা এই চরে বসবাস করে আসছি।নদী ভাঙনের কারণে মানুষজন অসহায় হয়ে পড়েছে। আমি কয়েকজন কে বসবাসের জন্য জমি দিয়েছি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বসতভিটা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন,কোথায় ঠাঁই নিবেন এটাই তাদের চিন্তা!
চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, এসংক্রান্ত মিটিং করা হয়েছে। আর ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলেছি। আপাতত ভাঙন ঠেকানোর জন্য যা করনীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান জানান, সাময়িকভাবে ভাঙনরোধ করতে দ্রুত জিও ব্যাগ পাঠানো হবে।

Reporter Name 



















