
চিলমারী(কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতাঃ ১১তম গ্রেডসহ তিন দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা স্কুলে স্কুলে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী লাগাতার কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন বলে জানান তারা।
জানা গেছে,সারা দেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তিন দফা দাবী আদায়ের জন্য আন্দোলন করে আসছেন। দাবীগুলি হলো-কনসালটেশন কমিটির সুপরিশের যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারন, ১০বছর ও ১৬বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তীর জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি প্রদান।
এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রিয়ভাবে আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষনা করেন। ঘোষনা অনুযায়ী গত ৫ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত ১ঘন্টার কর্মবিরতি, ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত ২ঘন্টা কর্মবিরতি, ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি এবং দাবি আদায় না হলে ২৬ মে তারিখ হতে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ঘোষনা দেন তারা।সে মোতাবেক স্কুলে স্কুলে শিক্ষকরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেন।
সোমবার সরেজমিনে উপজেলার থানাহাট ১নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়,বিদ্যালয়টিতে কর্মরত ১২জন শিক্ষকের শতভাগই উপস্থিত রয়েছেন। উপস্থিত থাকলেও তারা শ্রেণী পাঠদান না করিয়ে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। এসময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঠে খেলা-ধুলা করতে দেখা যায়। উপজেলার অন্যান্য স্কুল সমুহ ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে।
থানাহাট ১নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা.লিপি বেগম বলেন,১১তম গ্রেড প্রাপ্তি সহকারী শিক্ষকদের ন্যায্য দাবী।তিন দফা দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মবিরতি পালন করবো।
উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান মাসুম জানান,১১তম গ্রেড প্রাপ্তিসহ তিনটি দফা শিক্ষকদের ন্যয্য এবং প্রাণের দাবি। এ দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচী চলবে। অনতিবিলম্বে শিক্ষকদের তিন দফা দাবী মেনে নিয়ে শিক্ষকদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জোড় দাবী করেন তিনি।

Reporter Name 













